বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্রিকেটকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার আইসিসির প্রতিজ্ঞা টি-টোয়েন্টির রেকর্ড মনে রাখাকে কঠিন করে তুলেছে। ইউরোপ, এশিয়া, ওশেনিয়ার অনেক দেশই এখন ক্রিকেট খেলছে। অনেক নতুন নতুন অবিশ্বাস্য রেকর্ডও তাই জন্ম নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শেষ হয়েছে, এমন ম্যাচে রানরেটের রেকর্ড তাই পাপুয়া নিউগিনির। ভানুয়াতুর বিপক্ষে ৩ ওভারে ৬০ রান তুলে ম্যাচ জিতে অনন্য সে অর্জন করে রেখেছে পাপুয়া নিউগিনি। আর টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া দেশগুলোকে হিসেবে আনলে রেকর্ডটা নিউজিল্যান্ডের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০১৬ সালে ১৪৩ রানের লক্ষ্যে নেমে কিউইরা অকল্যান্ডে রীতিমতো ঝড় তুলেছিল। ১০ ওভারে ১৪৭ রান তুলেছিল। কিন্তু সে রেকর্ড পরে ব্যাট করে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এত দিন আগে ব্যাট করে ওভারপ্রতি সবচেয়ে রানের রেকর্ডটি ছিল দুই দেশের। দুটিই ২০১৯ সালের ঘটনা। ২৩ ফেব্রুয়ারি দেরাদুনে আইরিশদের বেধড়ক পিটিয়ে ২৭৮ রান তুলেছিল আফগানিস্তান। অর্থাৎ ওভারপ্রতি ১৩.৯০ রান তুলেছিলেন হজরুতউল্লাহ জাজাই-উসমান গনিরা। সে রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে যে দেশ, সে নাম অনেককে বিস্মিত করতে পারে। ২০১৯-এর ৩০ আগস্টে রোমানিয়ায় মুখোমুখি হয়েছিল চেক প্রজাতন্ত্র ও তুরস্ক। সেদিন তুরস্ককে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছিল চেকরা।

default-image

তুরস্ককে সবচেয়ে বড় হারের লজ্জা উপহার দেওয়ার আগে ঠিক ২৭৮ রান তুলেছিল চেক। অর্থাৎ সে ইনিংসেও ওভারপ্রতি ১৩.৯০ রান তোলা হয়েছিল। এ দুই ম্যাচকে আজ পেছনে ফেলেছে নিউজিল্যান্ড। ১০ ওভারে উইকেট খোয়ানোর ভয় না থাকাটা দারুণ কাজে লাগিয়েছে দলটি। শেষ দিকে দ্রুত কিছু উইকেট হারালেও ১০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ১৪১ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। শেষ দুই ওভারে ১৯ রান তোলার পরও ইনিংস শেষে নিউজিল্যান্ডের রান রেট ছিল ১৪.১! টি-টোয়েন্টিতে প্রথমে ব্যাট করে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে রান তোলার রেকর্ড এখন নিউজিল্যান্ডের। আর এর উল্টো দিকটা, অর্থাৎ রান বিলানোর রেকর্ডটি এখন বাংলাদেশের।

দুই আর তিনে থাকা দুই ম্যাচের কথা তো আগেই বলা হয়েছে। চারের ঘটনা আরও চমকপ্রদ। ২০১৯ সালেরই ঘটনা। নিউজিল্যান্ড সফরে অকল্যান্ডে এমনই এক বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে খেলতে নেমেছিল ইংল্যান্ড। বাংলাদেশের বোলারদের মতোই হতাশার এক দিন উপহার পেয়েছিলেন ইংলিশ বোলাররা। ১১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৬ রান তুলেছিল নিউজিল্যান্ড। ওভার প্রতি ১৩.২৭ রানের বেশি তুলতে হবে এমন লক্ষ্যে নেমে ভড়কে যাওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল।

কিন্তু আজ বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যা পারেননি, সেটাই করে দেখিয়েছেন জনি বেয়ারস্টো, এউইন মরগান ও স্যাম কারেনরা। ১১ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ঠিক ১৪৬ রানই তুলেছিল ইংল্যান্ড! ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতি ফিরিয়ে সুপার ওভারে ইংল্যান্ডই বিজয়ী হয়েছিল সেদিন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন