বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

‘অবশ্যই আমরা হতাশ। গত সপ্তাহে সবাই অসাধারণ খেলেছে। মানসম্পন্ন একটা বোলিং বিভাগের বিপক্ষে ১৭৩ ওভার ব্যাটিং করেছিলাম আমরা। সত্যি বলতে নিউজিল্যান্ড আরও তেড়েফুড়ে এই ম্যাচে ফিরে আসবে, এটা প্রত্যাশিতই ছিল’—দিন শেষের সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন প্রিন্স।

দ্বিতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে ৩৯৫ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ড মুমিনুলদের ফলো অন করাবে কি না, সেটি এখনো জানা যায়নি। তবে এখান থেকে ফিরে আসা যে প্রায় অসম্ভব, তা সবাই জানেন।

default-image

মাউন্ট মঙ্গানুয়েই সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রসঙ্গ টেনে প্রিন্সও মনে করিয়ে দিলেন কাজটা কত কঠিন, ‘দুই টেস্টের তুলনা টানলে দেখবেন, একবার পিছিয়ে পড়লে এখানে ফিরে আসা কঠিন, তা আপনি টেস্টের সেরা দল হলেও। গত সপ্তাহে আমরা এগিয়ে যেতে পেরেছিলাম। এই ম্যাচে এখন পর্যন্ত ওরা গতকাল শুরুটা খুব ভালো করেছে, আজ সকালে সেটা টেনে নিয়ে গেছে। এরপর বল হাতেও দারুণ করেছে। আমাদের জন্য ম্যাচে ফিরে আসাটা কঠিন করে দিয়েছে।’

তবে ফিরে আসতে চেষ্টা তো করতে হবে, আর সে চেষ্টায় বাংলাদেশকে ব্যাট হাতে অবিশ্বাস্য কিছুই এখন করে দেখাতে হবে। সে পথে ব্যাটিং কোচের কাছ থেকে কী পরামর্শ পেতে পারেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা?

default-image

আজ রাতে ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে আলোচনায় কী পরামর্শ দেবেন—এমন প্রশ্নে প্রিন্স নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের একটা বড় পার্থক্য তুলে ধরেছেন, ‘কিউইদের দেখেছি যে ওরা অফ স্টাম্পের বাইরের অনেক বল ছেড়ে খেলেছে। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের এটা সহজাতভাবেই আসে। ওরা এখানে বাউন্সে ভরা উইকেটে খেলে। আমাদের ছেলেরা (বাংলাদেশের উইকেটে) বল অনেক বেশি খেলে। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ছেলেরা খুবই ভালো খেলেছে, ব্যাকফুটেও ভালো খেলেছে। আজও আমরা আরও কিছু ছেড়ে খেলতে পারতাম।’

সে কারণেই কাল দলের ব্যাটসম্যানদের কাছে প্রিন্সের চাওয়া, ‘আশা করি কাল আমরা ভালো একটা শুরু করতে পারব। আমার মনে হয়, আমরা অফ স্টাম্পের বাইরের আরও কিছু বল ছেড়ে খেলে ওদেরকে আমাদের দিকে সোজা বল করতে বাধ্য করার চেষ্টা করতে পারি।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন