বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাটলার অবশ্য এর পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তিনি ইশ সোধির বলে এলবিডব্লু হন নবম ওভারের প্রথম বলে। রিভার্স সুইপ করতে গিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের সেরা ব্যাটসম্যান, কিন্তু বলের লাইন মিস করে ফেলেন। আম্পায়ার আঙুল তোলার পর অবশ্য রিভিউ নিয়েছিলেন, কিন্তু আল্ট্রাএজে কিছুই ধরা পড়েনি। বাটলার ফেরেন ২৪ বলে ২৯ রান করে।

এরপর চতুর্থ উইকেট জুটিতে ম্যালান মঈন আলীকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন ভালো একটা জুটি। এই জায়গাটাতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতে তুলে নেয় ইংল্যান্ড। ৪৩ বলে ৬৩ রানের জুটিটি খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর দুটি উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলাতে সহায়তা করে ইংলিশদের। ম্যালান ছিলেন দুর্দান্ত। বিশেষ করে অফ সাইডে দারুণ কাভার ড্রাইভে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকান। মঈন প্রথমে ম্যালানকে সঙ্গ দিয়ে গেছেন কেবল। ম্যালানের ব্যাট থেকে আসে ৩০ বলে ৪২ রান করে। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা।

default-image

ম্যালান যখন ফেরেন তখন ১৫.২ ওভারে ১১৬ রান ইংল্যান্ডের। সেখান থেকে বাকি সময়ে দলের রান মঈন আলী আর লিয়াম লিভিংস্টোন নিয়ে গেছেন ১৬৬ রানে। আবুধাবির উইকেটে ভালো স্কোরই। মঈন ৩৭ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন শেষ পর্যন্ত। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৩টি চার ও দুটি ছক্কা। লিভিংস্টোনের ছোট্ট ঝোড়ো ইনিংসটি ছিল ১০ বলে ১৭ রানের। তিনি চার ও ছয় মেরেছেন একটি করেই। শেষ ১০ ওভারে ৯৯ রান তুলেই উইলিয়ামসনদের চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে ২০১০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা।

নিউজিল্যান্ডের বোলিংয়ে দারুণ কিছু ছিল না। বোল্টের বাজে দিন ছিল আজ। ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি তিনি। সাউদি ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে নিয়েছেন একটি উইকেট। সোধি ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে নিয়েছেন একটি উইকেট। অ্যাডাম মিলনের ঝুলিতে গেছে এক উইকেট। এর পাশাপশি মিচেল স্যান্টনার ও জিমি নিশাম ছিলেন খরচে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন