বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়া ৯ উইকেটে ৪৭৩ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। মাথার ওপর পাহাড়সমান রানের এই চাপ কায়দা করতে কাল অন্তত নতুন করে সবকিছু শুরুর সুযোগটা পাচ্ছেন দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান জো রুট (৫*) ও ম্যালান (১*)।

অস্ট্রেলিয়ার বোলিংকে বলা যায়, বজ্রপাতের আগে ঝড়। তৃতীয় ওভারে ররি বার্নসকে মিচেল স্টার্ক যেভাবে আউট করলেন তাতে অস্ট্রেলিয়ান পেসারের চেয়ে বার্নসের অবদানই বেশি! ইংলিশ ওপেনার সোজা ব্যাটে অনায়াসে খেলতে পারতেন। কিন্তু ব্যাটটা অনসাইডের দিকে কাত করে ধরার মাশুল গুনে স্লিপে ক্যাচ দেন। বল তাঁর ব্যাটের কানায় লেগে স্টিভ স্মিথের হাতে জমা পড়ে। তার আগে ইংল্যান্ডের ওপেনিং জুটিকে গতি ও সুইংয়ে কাঁপিয়েছেন স্টার্ক ও ঝাই রিচার্ডসন। আরেক ওপেনার হাসিব হামিদও উইকেট উপহার দেন। সপ্তম ওভারে নেসারের (৬) বলটা সহজেই নিচে খেলতে পারতেন তিনি। কী বুঝে মিড অনে স্টার্ককে ক্যাচ শেখালেন কে জানে!

দ্বিতীয় দিনটা অস্ট্রেলিয়া নিজেদের করে নেওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়েছে ব্যাটিংয়ে। ৯৫ রানে অপরাজিত থেকে প্রথম দিন শেষ করা মারনাস লাবুশেন আজ বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১০৩ রানে আউট হন ওলি রবিনসনের বলে। স্মিথ এরপর দুটি জুটিতে অস্ট্রেলিয়াকে চার শ পার করার পথ দেখান। ট্রাভিস হেডের সঙ্গে ৫০ ও অ্যালেক্স ক্যারির সঙ্গে গড়েন ৯১ রানের জুটি। ৯৩ রানে আউট হওয়া স্মিথের শতক না পাওয়ার আক্ষেপ থাকবে। তবে অস্ট্রেলিয়ার শেষের ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তা বেশি করে নাকাল করেছে ইংলিশ বোলিংকে।

default-image

অষ্টম উইকেটে ৫৮ রান তোলেন স্টার্ক ও অভিষিক্ত নেসার। ২৪ বলে ৩৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ৪০০ ছুঁইছুঁই সংগ্রহ এনে দেন নেসার। ৩৯ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত ছিলেন স্টার্ক। ঝাই রিচার্ডসন এসে স্টার্কের সঙ্গে ৯ বলে ২৫ রানে জুটি গড়ার পথেই বোঝা যাচ্ছিল যেকোনো সময় ইনিংস ঘোষণা করবে অস্ট্রেলিয়া। শেষ বিকেলে গোলাপি বলের সুইংয়ে দ্রুত কিছু উইকেট তুলে নেওয়া লক্ষ্য ছিল অধিনায়ক স্মিথের। পেসাররা এই লক্ষ্য পূরণ করায় দিনটা শেষ অস্ট্রেলিয়ারই। তবে বৃষ্টি ইংল্যান্ডের ক্ষত বাড়াতে দেয়নি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন