default-image

নিউজিল্যান্ডে কোয়ারেন্টিন শিথিল হওয়ায় যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। নিউজিল্যান্ডে পৌঁছে তৃতীয় দফা করোনা পরীক্ষায় দলের সবার নেগেটিভ আসায় ক্রিকেটারদের আগের তুলনায় সেভাবে কক্ষবন্দী হয়ে থাকতে হচ্ছে না। সকাল, বিকেল ও রাতে নিজ কক্ষ থেকে বের হতে পারছেন ক্রিকেটাররা। আজ নিউজিল্যান্ডে পৌঁছে প্রথমবারের মতো জিম করার সুযোগও পেয়েছেন তাঁরা। কাল থেকে শুরু হবে অনুশীলন।

মোহাম্মদ মিঠুনের স্বস্তিটা সেখানেই। এক সপ্তাহ কড়া কোয়ারেন্টিনের পর অবশেষে ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ দল। আজ বিসিবির এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলছিলেন, ‘এত দিন আমাদের চলাফেরায় অনেক বাঁধা ছিল। এখন আস্তে আস্তে বিষয়গুলো স্বাভাবিক হচ্ছে। আজ আমরা জিম করার সুযোগ পেয়েছি। প্রায় এক সপ্তাহ পরে জিম ব্যবহার করে ভালো লাগছে। বের হতে পারব ভেবে অনেক বেশি রোমাঞ্চিত।’

অনুশীলনে ফিরে দ্রুত কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এখন মিঠুনের ভাবনা, ‘ঘরের মধ্যে থাকা খুব কষ্টকর। এখানে ঘরে খুব একটা কিছু করার নেই। এ ছাড়া আমরা সিরিজ খেলতে এসেছি। কাল থেকে আমরা মাঠে যেতে পারব। এই ব্যাপারটা ভাবতে আলাদা ভালো লাগা কাজ করছে। কাল থেকে যখন অনুশীলনে ফিরব, আস্তে আস্তে আমরা সবকিছু মানিয়ে করে নিতে পারব।’

default-image
বিজ্ঞাপন

নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের অতীত রেকর্ডটা সবার জানা। এবার সেটা বদলাতে চাইবে তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহর দল। মিঠুন নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টির সিরিজে ভালো করতে নতুন বলে সতর্ক থাকাকে বড় করে দেখছেন, ‘সবাই জানি নিউজিল্যান্ডে নতুন বলটা খুব চ্যালেঞ্জিং হয়। আমরা দল হিসেবে নতুন বলে যদি টিকে যেতে পারি, অবশ্যই আশা করছি আগের চেয়ে অনেক ইতিবাচক ফলাফল হবে। এটাকে আমরা অবশ্যই সুযোগ হিসেবে নিচ্ছি। এবার অনেক আগে এসেছি, অনেক অনুশীলনের সুবিধা পাব। আশা করা যায়, দলের সবাই যত দ্রুত সম্ভব নিজেদের দক্ষতা দিয়ে মানিয়ে নিতে পারবে।’

নিউজিল্যান্ডের এখনকার আবহাওয়া বাংলাদেশের কিছুটা স্বস্তির কারণ হতে পারে। সেখানকার প্রচণ্ড বাতাস যেকোনো উপমহাদেশীয় দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ক্রাইস্টচার্চ গত কয়েক দিনের যেমন তাপমাত্রা ১৯ থেকে ২০ ডিগ্রি। সিরিজেও যেন এমন থাকে, সেটিই মিঠুনের প্রত্যাশা। তাহলে হয়তো নিউজিল্যান্ডের মুক্ত বাতাসে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা যাবে। আর এক সপ্তাহ পর করোনাবিধি মেনে চলতে হবে না সফরকারী দলের।

default-image

মিঠুন বলছিলেন, ‘আগে আবহাওয়ার জন্য যে ধকলটা সইতে হতো, আশা করি, এবার এমন আবহাওয়া থাকবে না। তা ছাড়া ১৪ দিন পর আমাদের স্বাভাবিক চলাফেরা শুরু হবে। অবশ্যই এটা ইতিবাচক দিক। অবশ্যই সবাই উপভোগ করব। কারণ, প্রায় এক বছর ধরে আমরা এই কোভিডের মধ্যে আছি। বাংলাদেশেও যতগুলো টুর্নামেন্ট খেলেছি, হোটেল থেকে বের হওয়ার সুযোগ হয়নি। এখানে বিষয়টি একটু ভিন্ন। আমরা ১৪ দিন পর স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারব। সেটা ভেবে ভালো লাগছে। অন্তত ১৪ দিন কষ্ট হলেও পরে আমরা স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারব।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন