বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

রফিক যে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাঁদের একজন মাইকেল ভন। রফিক দাবি করেন, ভন কয়েকজন এশিয়ান খেলোয়াড়ের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘তোমাদের সংখ্যা বেশি হয়ে যাচ্ছে, এ নিয়ে কিছু করা দরকার।’

তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন ভন। ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দ্য টেলিগ্রাফ’–এ প্রকাশিত নিজের কলামে ভন জানান, রফিক তাঁর নাম উল্লেখ করলেও তিনি কোনো ধরনের বর্ণবাদের সঙ্গে কখনোই জড়িত ছিলেন না।

default-image

কিন্তু তাঁর এ দাবি বিনা বাক্যে মেনে নেয়নি বিবিসি। তারা এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, ‘বর্ণবাদ নিয়ে যেকোনো অভিযোগ বিবিসি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। যে সময় ভন এ ধরনের মন্তব্য করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে, তখন তিনি বিবিসির সঙ্গে ছিলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাপারে তদন্ত করে ইয়র্কশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব এবং আমরা সেই তদন্তের সঙ্গেও কোনোভাবে জড়িত ছিলাম না। এমনকি আমরা ইয়র্কশায়ারের জমা দেওয়া পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনটাও দেখিনি। তবে আমরা জেনেছি যে ভন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।’

default-image

এরপর বিবিসি ভনকে নিয়ে তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানায়, ‘আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী সোমবার টাফার্স অ্যান্ড ভন শোয়ে মাইকেল ভন থাকছেন না। আমরা ক্রিকেটের বিভিন্ন সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে এই অনুষ্ঠানে আলোচনা করি। যেহেতু বর্ণবাদের মতো একটি স্পর্শকাতর বিষয়ের সঙ্গে ভনের নাম জড়িয়ে পড়েছে, তাই অনুষ্ঠানের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য তিনি এই অনুষ্ঠানে থাকবেন না। তবে আমরা ভন এবং তাঁর দলের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’

ভন ২০০৯ সালে বিবিসির এই রেডিও অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগদান করেন এবং সে বছরই তিনি ওই বর্ণবাদী মন্তব্য করেন বলে ২০২০ সালে অভিযোগ আনেন রফিক।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন