বিজ্ঞাপন

কেপটাউন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং লাইনআপে থাকা নামগুলো এখনো দলের মূল অস্ত্র—প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন। ঘটনার পরপরই ডেভিড ওয়ার্নার ইঙ্গিতে বলেছিলেন, দলের সবাই মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর জবাবে চার বোলার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। বোলাররা জানতেন কি না, এমন প্রশ্নে এত দিন পর ব্যানক্রফট জানালেন, বোলাররা অতটা নিষ্পাপ নন, ‘আহ…হ্যাঁ, দেখুন আমার মনে হয় জানত। এটা তো বোঝাই যায়।’

সিডনি মর্নিং হেরাল্ড ও দ্য এজ এ ব্যাপারে সে সময়কার বোলিং কোচের কাছে জানতে চেয়েছিল। ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়া দলের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করা সাকের বলেছেন, ‘এটা তো জানা কথা, সে সময় অনেক ভুল হয়েছে। এভাবে একে অন্যকে দোষারোপ করা চলতেই থাকবে। ওখানে অনেকেই ছিল, যাদের দোষ দেওয়া যায়। আমাকে দোষ দেওয়া যায়, অন্য কাউকে দোষারোপ করা যায়। এটা চাইলেই থামানো যেত কিন্তু হয়নি।’

default-image

নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরার পর আড়াই বছর পেরিয়ে গেছে। এরপর কেন হঠাৎ ব্যানক্রফটের এমন বিতর্ক সৃষ্টির ইচ্ছা হলো? এ ব্যাপারে সাকেরের মত, এ ব্যাপারে ধীরে ধীরে অনেক কিছুই জানা যাবে, ‘ক্যামেরন খুব ভালো একটা ছেলে। সে শুধু জমানো ব্যথা কমানোর চেষ্টা করছে...এরপর আবার কেউ না কেউ এটা করবে, আপনি চাইলে আমার দিকে ইঙ্গিত করতে পারে, চাইলে ড্যারেন লেম্যানকে (সে সময়কার মূল কোচ) দায়ী করতে পারেন, অন্য যে কাউকে দোষ দিতে পারেন, যে কাউকে। দুঃখের ব্যাপার হলো, এ ঘটনা কখনো আড়ালে যাবে না। যা–ই বলা হোক না কেন, আমরা সবাই জানি কী বিশাল ভুল করেছি। সব বের হয়ে আসার আগপর্যন্ত এর গুরুত্ব বোঝা যায়নি।’

ব্যানক্রফটের মন্তব্যের পরই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, নতুন কোনো তথ্য থাকলে তাদের জানানো উচিত এবং দরকার হলে আবার তদন্ত করা হবে সে ঘটনা। সাকের তদন্তের ব্যাপারে আপত্তি জানাচ্ছেন না, তবে এতে কোনো লাভ হবে কি না, সেটা ভেবে দেখতে বলেছেন এই বোলিং কোচ, ‘আমার মনে হয় না নতুন করে তদন্ত করা অন্যায় হবে। আমি বুঝতে পারছি না তার কী খুঁজে পাবে (নতুন করে)। এটা ওই আন্ডারআর্ম বলের (১৯৮১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ট্রেভর চ্যাপেলের গড়িয়ে বল করা) ঘটনার মতো, আজীবন রয়ে যাবে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন