বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ল্যাথামের দারুণ ব্যাটিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের তিন পেসার—তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেন দুষতে পারেন নিজেদেরই। তাঁরা হয় বল করেছেন বেশি ফুললেংথে, আর না হলে অফস্টাম্পের বাইরে শর্টলেংথে। স্টাম্প তাক করে ধারাবাহিকভাবে গুডলেংথের পরের অঞ্চলে আক্রমণ করে যেতে পারেননি। তবে ল্যাথাম ছাড়েননি কোনো সুযোগই, ফুললেংথে পেলে ড্রাইভ করতে ভুল হয়নি তাঁর। অফ স্টাম্পের বাইরের বলেও রান বের করেছেন বেশ ভালোভাবে।

default-image

ইতিবাচক ল্যাথাম অবশ্য পেয়েছেন ভাগ্যের সহায়তাও। ইবাদত হোসেনের এক ওভারেই দুইবার রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেছেন তিনি। নবম ওভারে ইনিংসে প্রথমবার বোলিংয়ে আসেন মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের নায়ক ইবাদত। ক্রাইস্টচার্চে ছাপ রাখতে তাঁর সময় লাগে ২ বল, ল্যাথাম হন এলবিডব্লু। তবে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক। ২ বল পর ল্যাথামকে আবারও এলবিডব্লু দেন আম্পায়ার ওয়েইন নাইটস, আবারও রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান তিনি। হক-আই দেখিয়েছে, প্রথমবার ইবাদতের বলটা মিস করে যেত লেগ স্টাম্প, পরেরটি যেত স্টাম্পের ওপর দিয়েই।

প্রথম সেশনে প্রথম ঘণ্টায় নিউজিল্যান্ড তোলে ৩৪ রান। ড্রিংকসের পরও সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। বিরতির প্রথম বলটাই ইবাদত করেন হাফ-ভলি, দারুণ ড্রাইভে বাঁহাতি ল্যাথাম মারেন চার। চতুর্থ বলে আবারও একই লেংথ থেকে মারেন আরেকটি চার।

অবশ্য এরপর ল্যাথামের ব্যাটের কানায় লেগে একবার গেছে স্লিপের ওপর দিয়ে, আরেকবার দুই স্লিপের মাঝের গ্যাপ দিয়ে। দুটিই হয়েছে চার, এর মাঝে প্রথমটি দিয়ে ৫০ পূর্ণ হয় নিউজিল্যান্ডের, ১৪.৩ ওভারে।

মাত্র ৬৫ বলে ঘরের মাঠে অর্ধশতক পূর্ণ করেছেন ল্যাথাম, ক্যারিয়ারে যেটি ২৩তম তাঁর। সে সময়ই ল্যাথাম মেরেছিলেন ৯টি চার। মাঝে মাঝে শরীফুল ও তাসকিন গুডলেংথে বোলিং করে সুযোগ তৈরি করার ইঙ্গিত দিলেও ধারাবাহিক ছিলেন না। অবশ্য ওভার দ্য উইকেট থেকে ল্যাথামের রক্ষণ একবার ফাঁকি দিতে পেরেছিলেন তাসকিন। প্যাডে লাগার পর আম্পায়ার ক্রিস গ্যাফানি আবেদন নাকচ করে দিলেও মুমিনুল শেষ মুহুর্তে রিভিউ নিয়েছিলেন। তবে সময় পেরিয়ে যাওয়ায় রিভিউটা আর দেখা হয়নি। অবশ্য আল্ট্রা-এজ দেখিয়েছে, ল্যাথামের ব্যাটে লেগেছিল বল, ফলে রিভিউটা এক অর্থে বেঁচেই গেছে বাংলাদেশের। তবে ল্যাথামকে আটকানো হয়নি বাংলাদেশের। অন্যদিকে ইয়াং দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন অধিনায়ককে।

এ ম্যাচে বাংলাদেশকে নামতে হয়েছে মুশফিকুর রহিমকে ছাড়াই। কুঁচকির চোটের কারণে খেলতে পারছেন না অভিজ্ঞ এ ব্যাটসম্যান। তাঁর জায়গায় খেলছেন নুরুল হাসান, উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। আর আঙুলের চোটে আগেই ছিটকে যাওয়া মাহমুদুল হাসানের জায়গায় অভিষেক হয়েছে মোহাম্মদ নাঈমের। বাংলাদেশের ১০০তম টেস্ট ক্রিকেটার হয়ে গেছেন এ বাঁহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন