বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ সফরে শ্রীলঙ্কার তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডে আগামীকাল। এই ম্যাচের আগে কুশল পেরেরার নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কা আরেক লজ্জা থেকে বাঁচার চেষ্টা করবে। আর তা হলো যেকোনো সংস্করণেই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কাছে ধবলধোলাই হওয়া।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩৩ রানে হেরেছে শ্রীলঙ্কা। সে ম্যাচে তবু ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার ইনিংসে কিছুক্ষণের জন্য লড়েছিল সফরকারীরা। বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় ম্যাচে সে প্রাপ্তিটুকুও হয়নি। ১০৩ রানে হেরে সিরিজ খুইয়ে বসেছে লঙ্কানরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে কখনো সিরিজ না হারা জয়াসুরিয়ার এতে আত্মসম্মানে বেধেছে।

সনাৎ জয়াসুরিয়া নামের টুইটার (স্বীকৃত নয়) অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল বর্তমান দলকে দেশের সম্মানের জন্য হলেও লড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, ‘একজন সাবেক খেলোয়াড় ও অধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশের কাছে প্রথম সিরিজ হার মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে আমার। দেশের সম্মান নিয়ে টানাটানি, ছেলেরা শেষ পর্যন্ত লড়ো।'

default-image

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগে সর্বশেষ ১০ ম্যাচে জয় পায়নি বাংলাদেশ দল। সে দলই হঠাৎ তাঁর দেশের বিপক্ষে এমন দাপট দেখাচ্ছে—এটা মেনে নিতে পারছেন না জয়াসুরিয়া। না পারারই কথা। বাংলাদেশের বিপক্ষে ২৮ বার মাঠে নেমেছেন জয়াসুরিয়া। ৫ টেস্ট ও ১ টি-টোয়েন্টির সব কটিতেই জিতেছেন। ২২ ওয়ানডের মধ্যে মাত্র দুবার পেয়েছেন হারের দেখা। অধিনায়ক হিসেবে সাত ম্যাচের সব কটিই জিতেছেন।

বাংলাদেশের বিপক্ষে বরাবরই ভয়ংকর ছিলেন জয়াসুরিয়া। ২২ ম্যাচে ৫৪.২১ গড়ে ১০৩০ রান করেছেন এই ওপেনার। তবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা দ্বৈরথে সর্বোচ্চ রান তাঁর নয়, সেটি আরেক বাঁহাতির দখলে। ৩১ ম্যাচে ৪৮.২৪ গড়ে ১২০৬ রান করেছেন কুমার সাঙ্গাকারা। তবে জয়াসুরিয়া-সাঙ্গাকারাদের দাপট দেখানো দিন যে এখন আর নেই, সেটা বোঝা যায় আরেকটি পরিসংখ্যানে।

বর্তমানে খেলছেন এমন খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ রান এখন বাংলাদেশের একজনের দখলে। প্রথম দুই ওয়ানডেতে দলকে জেতানো মুশফিকুর রহিম শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩২ ম্যাচে ৯৯২ রান করে আছেন শীর্ষে। শ্রীলঙ্কার বর্তমান খেলোয়াড়দের পক্ষে সর্বোচ্চ রান কুশল পেরেরার। কিন্তু তিনি মুশফিকের চেয়ে অনেক পিছিয়ে (৪৮৯)। জয়াসুরিয়াকে হয়তো এই তথ্যটাও পীড়া দেবে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন