বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হ্যামিল্টনে ৪ এপ্রিল নিজের শহরে ডাচদের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেটি খেলবেন টেলর। নিউজিল্যান্ডের হয়ে সেটিই হবে তাঁর শেষ ম্যাচ।

অবসরের ঘোষণা দিয়ে করা টুইটে টেলর বলেন, ‘ঘরোয়া মৌসুম শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়ার ঘোষণাটা দিচ্ছি আজ। বাংলাদেশের বিপক্ষে আরও দুটি টেস্ট এবং অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সব মিলিয়ে ৬টি ওয়ানডে। ১৭ বছর ধরে অবিশ্বাস্য সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করা সম্মানের বিষয়।’

টেস্ট ও ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক টেলর। ২০০৬ সালে নেপিয়ারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক তাঁর। পরের বছর টেস্টে অভিষেক ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। এর আগে ২০২৩ বিশ্বকাপে খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাটা দিয়েই দিলেন টেলর।

নিউজিল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমকে টেলর বলেন, ‘এটা ভালো যে, নিজের ইচ্ছেমতো সরে দাঁড়াতে পারছি। নিজের ও পরিবারের জন্য এটাই সঠিক সময়।’ ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজের শেষ টেস্টটিতে একটি রেকর্ডও ছুঁয়ে ফেলবেন টেলর। নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট খেলার রেকর্ডটি ভাগ করে নেবেন ড্যানিয়েল ভেট্টোরির সঙ্গে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ২৩৩ ওয়ানডে ও ১০২ টি–টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন টেলর।

তিন সংস্করণেই প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে ন্যূনতম এক শ করে ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছেন টেলর। সব সংস্করণ মিলিয়ে তাঁর ১৮,০৭৪ রান, ৪৪৫ ম্যাচ ও ৪০ সেঞ্চুরি নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ।

এ বছরের শুরুর দিকে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের জয়সূচক রানটি এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকেই। চোটের কারণে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে খেলতে না পারা নিয়মিত অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসন টেলরকে নিয়ে বলেন, ‘রস দীর্ঘদিন দলের মূল অংশ হয়ে ছিল এবং নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটকে সে উঁচুতে স্থাপন করেছে। সে বিশ্বমানের খেলোয়াড়, ব্যাট হাতে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সেরা খেলোয়াড় হয়ে ছিল। নানা সংস্করণে তার সঙ্গে অনেকগুলো জুটি গড়তে পারাটা আনন্দের ছিল।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন