বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়া আগস্টের সফরে পাঁচটি ম্যাচই খেলেছিল ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। ম্যাচের উইকেট ছিল পুরোপুরি স্পিন-সহায়ক। ঘূর্ণি পিচে বাংলাদেশের স্পিনাররা ছড়ি ঘুরিয়েছিলেন অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যানদের ওপর। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের অহমে বড় ধরনের আঘাতই করেছিল। কিন্তু আগামীকালের ম্যাচের আগে আগস্টের সেই সিরিজটির কি কোনো প্রভাব নেই অস্ট্রেলিয়া দলে? অ্যাগারের সাফ জবাব, ‘বাংলাদেশের চেয়ে আরব আমিরাতের কন্ডিশন সম্পূর্ণ আলাদা।’

পূর্ণ শক্তির অস্ট্রেলিয়া যে বাংলাদেশের স্পিনারদের নিয়ে ভীত নয়, সেটিও বলেছেন অস্ট্রেলীয় স্পিনার, ‘খুব সম্ভবত আমরা সবাই অমন কন্ডিশনে প্রথমবারের মতো খেলেছি। বাংলাদেশের উইকেটে খেলাটা আমাদের কাছে খুবই কঠিন মনে হয়েছিল। বাংলাদেশ নিজেদের মাটিতে খেলেছিল দুর্দান্ত। বাংলাদেশের ওই পারফরম্যান্সে আমরা মোটেও অবাক হইনি তখন। তবে আমিরাতের কন্ডিশন সম্পূর্ণ আলাদা। আমাদের দলও আলাদা।’

default-image

বাংলাদেশ সফরে চারবার ১৩০ রানের নিচে ছিল অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ। বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে সাকিব আল হাসান, মেহেদী হাসান আর নাসুম আহমেদদের একেবারেই খেলতে পারেননি অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যানরা।

এবার আর মোস্তাফিজ কিংবা সাকিব-নাসুমদের নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সেভাবে শঙ্কায় না থাকারই কথা। বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে এখন পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চার ম্যাচের চারটিতেই হেরে বাংলাদেশের বিদায় তো নিশ্চিত হয়েই গেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ বাদ দিলে বাকি তিন ম্যাচের কোনোটিতেই বল হাতে প্রতিপক্ষকে ভোগাতে পারেনি বাংলাদেশ দল। ব্যাট হাতেও যা কিছু করার শুধু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই করতে পেরেছিলেন মুশফিকরা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন