বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ডমিঙ্গো বলছিলেন, ‘এখন বললে হয়তো বিশ্বাস করবেন না, কিন্তু মিরাজ যখন ব্যাট করতে যায়, তখন আমি শ্রিকে (শ্রীনিবাস চন্দ্রশেখরন, বাংলাদেশ দলের অ্যানালিস্ট) বলছিলাম যে ওরা দুজন ১৫০ রানের জুটি গড়বে। এরপর তাসকিন-শরীফুলের সামনে ১৫ রান থাকবে।’

প্রধান কোচের এমন আস্থার কারণ মিরাজের সাম্প্রতিক ব্যাটিং পারফরম্যান্স। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেই মিরাজ পেয়েছিলেন টেস্টে প্রথম শতক। নিউজিল্যান্ডের মাটিতেও টেস্টে ভালো ব্যাটিং করেছেন, রান পেয়েছেন বিপিএলেও। সে কারণেই মিরাজের ব্যাটিংয়ে কোচের এত আস্থা, ‘এখন মিরাজের ব্যাটিংয়ের ওপর অনেক আস্থা আছে। তার টেস্ট শতক আছে। নিউজিল্যান্ড সফর এবং বিপিএলেও ভালো ব্যাট করেছে। এটা বিশ্বাস করা কঠিন, তবে তখনো আমার বিশ্বাস ছিল যে জিততে পারব। কারণ, উইকেট ভালো ছিল, রানরেটও আমাদের নাগালের মধ্যেই ছিল।’

default-image

ম্যাচে বাংলাদেশ ইনিংসের ৩০ ওভার শেষে হুট করেই ফ্লাডলাইট বিভ্রাটের কারণে প্রায় ১৫ মিনিট বন্ধ ছিল খেলা। তখনো জয় থেকে ৮৬ রান দূরে ছিল বাংলাদেশ। অপ্রত্যাশিত বিরতিতে ব্যাটিং–ছন্দ হারানোর ভয় ছিল ডমিঙ্গোর। তবে আফিফ ও মিরাজের পরিণত ব্যাটিংয়ে সে দুশ্চিন্তা দূর হয়েছে, ‘সত্যি বলতে ফ্লাডলাইটের বিরতির কারণে আমি একটু দুশ্চিন্তায় পড়েছিলাম। কারণ, সেই বিরতির আগের দুই-তিন ওভার ভালো যাচ্ছিল। আবার খেলা শুরু হওয়ার পর আফিফ খানিকটা ছন্দও হারিয়েছিল। তবে এরপর দারুণ পরিণত ব্যাটিং করে সে উতরে গেছে।’

তবে আগামীকাল সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ দলের টপ অর্ডারের কাছে ভালো কিছুর প্রত্যাশা ডমিঙ্গোর। প্রথম ম্যাচের ভুল থেকে বেরিয়ে আসবে তামিম-সাকিবরা, এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন প্রধান কোচ, ‘ওরা ভালো করবে। আমাদের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা যথেষ্ট মানসম্মত। ছেলেরা সবাই টি-টোয়েন্টি খেলে এসেছে। ওরা নিজেরাই আগের দিনের পারফরম্যান্সে হতাশ হয়েছে। আশা করি, ওরা আগামীকাল ভালো করবে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন