বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্রিকইনফো জানিয়েছে, মাঝের সময়টায় শ্রীলঙ্কান বোর্ড বেশ কয়েকজন নামী কোচের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু কেউই শ্রীলঙ্কার দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হননি। গত দশকে দুই দফায় শ্রীলঙ্কার কোচ গ্রাহাম ফোর্ডও ছিলেন এঁদের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত ক্রিস সিলভারউডকেই বেছে নিতে হয়েছে এসএলসিকে।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী অ্যাশলে ডি সিলভা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তা নিতে পেরে আনন্দের কথা জানিয়েছেন, ‘আমরা ক্রিসকে শ্রীলঙ্কার প্রধান কোচ হিসেবে পেয়ে খুবই খুশি। তিনি খুবই অভিজ্ঞ একজন কোচ। আমরা তাঁর সঙ্গে কথা বলে ও নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বুঝতে পেরেছি যে তাঁর মধ্যে প্রয়োজনীয় সব দক্ষতা আছে। আশা করি, তিনি দলকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’

শ্রীলঙ্কার কোচ হতে অনাগ্রহের কারণ অবশ্য অনুমান করাই যায়। এই চেয়ারটা অনেকটাই মিউজিক্যাল চেয়ারের মতো। গত ১০ বছরে শ্রীলঙ্কা দলের অষ্টম প্রধান কোচ হতে যাচ্ছেন সিলভারউড, এই তথ্যটাই যার প্রমাণ।

সিলভারউড ইংল্যান্ড দলের দায়িত্বে থাকার সময় ক্রিকেট ইতিহাসে নজিরবিহীন ক্ষমতা ভোগ করতেন। তিনি শুধু কোচই ছিলেন না, ছিলেন ‘ওয়ান ম্যান সিলেকশন কমিটি’-ও।

ফুটবল দলের কোচেরা যেমন স্কাউটের সাহায্য নিয়ে একাই দল নির্বাচন করেন, সিলভারউডকেও দেওয়া হয়েছিল সেই ক্ষমতা। অ্যাশেজে ব্যর্থতার দায়ও তাই তাঁর ওপরই বেশি বর্তেছে। যে কারণে অধিনায়ক জো রুট টিকে গেলেও চাকরি গেছে সিলভারউডের।

শ্রীলঙ্কায় তাঁর কাজটা এক অর্থে আরও কঠিন। শ্রীলঙ্কা এখন টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ৭ নম্বরে, ওয়ানডেতে ৮ ও টি-টোয়েন্টিতে ১০ নম্বরে। র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকায় এ বছরের শেষে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্ব খেলতে হবে ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়নদের।

এ বছর বাংলাদেশ ছাড়াও নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে লঙ্কানরা। ঘরের মাঠে আতিথ্য দেবে অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানকে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন