default-image

২০০৮ সালের পর আইপিএলে আর খেলা হয়নি পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের। দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরিতায় আইসিসি টুর্নামেন্ট বাদে ভারত–পাকিস্তানের যেখানে দেখা হয় না, সেখানে আইপিএলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা আর কীভাবে থাকে! সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক নাসের হুসেইনের আফসোসটা এখানেই, বাবর আজমের মতো ক্রিকেটারকে দেখা যায় না আইপিএলে।

ভারতের বিরাট কোহলির উত্তরে পাকিস্তান বাবর আজমকে পেয়েছে কি না, সে প্রশ্নের উত্তর সময় বলে দেবে। তবে বাবর যে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন, এরই মধ্যে তাঁকে ‘ফ্যাব ফোর’ বিরাট কোহলি, জো রুট, কেন উইলিয়ামসন আর স্টিভ স্মিথের সঙ্গে এক ব্রাকেটে রাখা হচ্ছে। নাসের হুসেইনই যেমন বলছেন, ‘সবাই ফ্যাব ফোরের কথা বলছে। এটা এখন ফ্যাব ফাইভ হবে। সেখানে যোগ হবে বাবর আজম।’

বাবর আজমের মতো খেলোয়াড়কে দেখা যায় না আইপিএলে। যিনি কি না এই মুহূর্তে আছেন টি–টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে, আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে যাঁর গড় ৫০–এর ওপরে। গত বছর ইংল্যান্ডের টি–টোয়েন্টি ব্লাস্টে ৫২.৫ গড়ে করেছেন ৫৭৮ রান, স্ট্রাইক রেট প্রায় ১৫০! খুব ধারাবাহিক, বেশিরভাগ শটেই খেলেন ব্যাকরণ মেনে। এই মানের ক্রিকেটারকে আইপিএলের মতো এত বড় মঞ্চে দেখতে না পেয়ে হুসেইনের একটু আফসোসই হয়, ‘পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের আইপিএলে দেখা যায় না। আরেকটা আইপিএল শুরু হবে শিগগির (১৯ সেপ্টেম্বর)। বাবর আজমকে সেখানে দেখা যাবে না। সে একজন দুর্দান্ত ক্রিকেটার। এই টুর্নামেন্টে তার থাকা উচিত।’

শুধু আইপিএল কেন, এখন রাজনৈতিক কারণে ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তানের লড়াইও নিয়মিত দেখা যায় না। দেখা যায় না বলেই দুই দলের ক্রিকেট রোমাঞ্চ, উত্তাপ, উত্তেজনা থেকে বঞ্চিত ক্রিকেটপ্রেমীরা। বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে নাসের হুসেইন উদাহরণ দিলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের তিনটি ডার্বি উল্লেখ করে, ‘ভারত–পাকিস্তানের রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চাই না। তবে ভারত–পাকিস্তানের ম্যাচ না হওয়া মানে আমার কাছে প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলা না হওয়ার মতো। এভারটনের সঙ্গে লিভারপুলের খেলা না হওয়া কিংবা স্পার্সের সঙ্গে আর্সেনালের মুখোমুখি না হওয়ার মতো।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0