বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে বাদ পড়ার কয়েক মিনিট আগপর্যন্তও অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা দেখিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করেছে পাকিস্তান। এরপর বিশ্বকাপ শেষে বাংলাদেশে এসে তিন টি-টোয়েন্টি আর দুই টেস্টের সিরিজে স্বাগতিকদের ধবলধোলাই করে গেছে। বাবর আজমের দল কেমন ছন্দে আছে, তা নিশ্চয়ই আলাদা করে বলার দরকার পড়ে না!

আর পাকিস্তানের এমন চোখ–ধাঁধানো ফর্মে থাকার পেছনে এই দলে আলাদা করে কারও নাম বলতে গেলে ব্যাটিংয়ে অধিনায়ক বাবর আজম, উইকেটকিপার ও উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ রিজওয়ান আর বোলিংয়ে ফাস্ট বোলার শাহিন আফ্রিদির কথাই বলতে হবে। স্বাভাবিকভাবে তাঁদের জন্যই আলাদা ‘রণপরিকল্পনা’ এঁটে রেখেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একটি নয়, তিন-তিনটি আলাদা পরিকল্পনা আছে উইন্ডিজের। সিমন্সের ভাষায় ‘এ, বি, সি’ পরিকল্পনা ঠিক করে রেখেছে ক্যারিবীয়রা।

আগামী পরশু সফরের প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তার আগে সিরিজ সামনে রেখে কাল ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স বললেন, ‘শাহিন আফ্রিদি, বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানকে দমিয়ে রাখার পরিকল্পনা আমরা করে রেখেছি। শাহিন এই মুহূর্তের বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার। বাবর আর রিজওয়ান ইনিংসের উদ্বোধনে অসাধারণ খেলছে। ওদের জন্য আমরা প্ল্যান এ, বি, সি তৈরি করে রেখেছি।’

default-image

একে তো করোনার সময়, তার ওপর পাকিস্তানে নিরাপত্তাশঙ্কাকে কারণ দেখিয়ে নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ডের সরে যাওয়ার পর সেখানে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজটি নিয়ে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থাই তাই করেছে পাকিস্তানের প্রশাসন।

নিরাপত্তার আয়োজনে সন্তুষ্ট সিমন্স বললেন, ‘নিরাপত্তা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট, যেসব সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোও দারুণ। অনেক দিন পর পাকিস্তানে এসে ভালো লাগছে। পাকিস্তানে আসা সব সময়ই আমার কাছে ভালো লাগার, কখনোই কোনো সমস্যায় পড়িনি। খেলোয়াড় হিসেবে যখন আসতাম, তখনকার চেয়ে এখন অবশ্য পরিস্থিতি ভিন্ন। কোভিড-১৯-এর কারণে এখন কোথাও যেতে পারছি না।’

তবে করোনা ও নিরাপত্তা নিয়ে খুব একটা ভাবছেন না বলেও জানিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ, ‘সিরিজটা দারুণ হবে। আমাদের পুরো মনোযোগ শুধু ক্রিকেটকে ঘিরেই। পাকিস্তান সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টিতে দারুণ ক্রিকেট খেলছে, ওয়ানডেতেও ওদের বিপক্ষে দারুণ লড়াইয়ের চেষ্টা করে যাব আমরা।’

default-image

তরুণ দল নিয়ে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য পাকিস্তানের বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে লড়াই করা দারুণ একটা চ্যালেঞ্জ হবে বলেও মনে হচ্ছে সিমন্সের, ‘আমাদের দলটা তরুণ খেলোয়াড়ে ভরা। শাহিনের বিপক্ষে ওরা কীভাবে খেলে, সেটি দেখতে চাই। পাকিস্তানে এসে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা কঠিন এক চ্যালেঞ্জ। এই চাপ আমাদের খেলোয়াড়দের ভালো পরীক্ষা নেবে। এখানকার উইকেট স্বাগতিক দলকেই সুবিধা করে দেবে, তবে আমরাও আগে এই মাঠে কী হয়েছে না হয়েছে, সেসব ভুলে স্বাধীনচিত্তে খেলতে চাই।’

আগামী পরশু থেকে শুরু টি-টোয়েন্টি সিরিজের তিন ম্যাচের পর ওয়ানডে সিরিজের তিন ম্যাচও করাচিতেই হবে। ওয়ানডে সিরিজটি আইসিসির ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে আয়োজিত সুপার লিগের অংশ।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন