বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ম্যানচেস্টারে প্রথম টেস্টেই নিউজিল্যান্ডের পথে উড়াল দেন স্টোকস। সেখানে পা রাখার পর ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। কোয়ারেন্টিন শেষ করে ক্রাইস্টচার্চে গিয়ে দেখতে পারবেন বাবাকে। এমন পরিস্থিতি যে কোনো সন্তানের জন্যই দুশ্চিন্তার। স্টোকসের বাবা জেড স্টোকস নিউজিল্যান্ডের সাবেক রাগবি খেলোয়াড়। জোহানেসবার্গে গত ডিসেম্বরে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ধরা পড়ার পর তাঁর জরুরি অস্ত্রোপচার করানো হয়। নিউজিল্যান্ডে ফেরার পর চিকিৎসকেরা জানান, মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়েছে।

জেড স্টোকস ‘নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড’কে জানিয়েছেন, রোগটি মস্তিষ্কের (ব্রেন) ক্যানসার। এতে রাগবির ভূমিকা আছে বলে অনেকটা কৌতুকের ছলে ইঙ্গিত দিলেন তিনি, ‘মাথায় কিছু আঘাত তো পেয়েছি, সম্ভবত এগুলোর অবদান আছে।’ এদিকে স্টোকসের অবস্থা তথৈবচ। ৬৪ বছর বয়সী বাবার ক্যানসার শোনার পর স্টোকস নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি। নিউজিল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহ ঘুমোতে পারিনি। মানসিকভাবে এর জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। মানসিক জায়গা থেকে (টেস্ট সিরিজ) ছেড়ে চলে আসাটাই ঠিক মনে করেছি।’

গত ডিসেম্বরে পোর্ট এলিজাবেথে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে ১২০ রানের ইনিংস খেলার সময় স্টোকস শুনেছিলেন তাঁর বাবা ভীষণ অসুস্থ। এবার পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে ক্যানসার ধরা পড়ার কথা জানলেন নিউজিল্যান্ড বংশোদ্ভূত এই ইংলিশ ক্রিকেটার। সম্প্রতি ম্যানচেস্টার টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর তিন আঙুলের স্যালুটে উদযাপন করেন স্টোকস। এ উদযাপন ছিল তাঁর বাবাকে স্মরণ করে। রাগবি ক্যারিয়ার চালিয়ে যেতে হাতের মাঝ আঙুল কেটে ফেলে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা।


নিজের ক্যারিয়ারে বাবার প্রভাবটা জানিয়েছেন স্টোকস, ‘তিনি মানসিকভাবে ভীষণ শক্ত। তবে বড় হয়ে বুঝতে পেরেছি এর কারণ আছে। তিনি জানতেন আমি পেশাদার ক্রীড়াবিদ হতে চাই। এ কারণে ওভাবে ভাবনাটা আমার মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছেন ক্রিকেটে নামার পর থেকে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন