default-image

অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে বিশ্বকাপ আর অলরাউন্ডাররা আলোচনায় থাকবেন না, সেটা কি হয়? এই দুই দেশে এর আগে বিশ্বকাপ হয়েছে একবারই। ১৯৯২-এর সেই বিশ্বকাপে ইয়ান বোথাম আর ইমরান খানের পারফরম্যান্সের কারণেই এবারের বিশ্বকাপেও সবার চোখ আটকে থাকবে অলরাউন্ডারদের ওপর।
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার যেমন ’৯২-এর স্মৃতি মাথায় রেখেই বেছে নিয়েছেন এবারের বিশ্বকাপের সম্ভাব্য সেরা ১০ অলরাউন্ডারকে। বলা বাহুল্য, তালিকায় আছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসানও।
বিকেলের চোখে সম্ভাব্য সেরা অলরাউন্ডার দক্ষিণ আফ্রিকার এবি ডি ভিলিয়ার্স। এর পরই আছেন জেপি ডুমিনি, আন্দ্রে রাসেল, জেমস ফকনার, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও কোরি অ্যান্ডারসন। সাকিব আছেন সাতে। শেষ তিনজন হলেন শেন ওয়াটসন, রবীন্দ্র জাদেজা ও রবি বোপারা।
সাকিব সম্পর্কে খুবই উঁচু ধারণা বিকেলের। তাঁর আশা, সতীর্থদের সমর্থন পেলে বিশ্বকাপের কেন্দ্রীয় চরিত্রও হয়ে উঠতে পারেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। ‘বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় সে। তার কাঁধে অনেক দায়িত্ব। দলের অন্য খেলোয়াড়দের কাছ থেকে কিছুটা হলেও সমর্থন পেলে সে-ই হয়ে উঠতে পারে বিশ্বকাপের মূল চরিত্র’—বলেছেন ২০০৩ বিশ্বকাপে আলোকাড়া বিকেল।
ছোট দলের বড় তারকা সাকিব। ব্যাট-বল দুভাবেই সাকিব নিজের সামর্থ্য দেখানোর অবারিত সুযোগ পাবেন, বিকেলের ধারণা এমনটাই। বলেছেন, সে সুযোগ কাজে লাগাতে ভূমিকা রাখতে পারে সাকিবের বিগ ব্যাশে খেলার অভিজ্ঞতাও, ‘মেলবোর্ন রেনিগেডসের হয়ে বিগ ব্যাশে মূল্যবান কিছু সময় কাটিয়েছে সে। এটি তাকে এখানকার কন্ডিশন বুঝতে সাহায্য করবে। এটা ঠিক, উপমহাদেশের তুলনায় এই কন্ডিশনে তাকে ব্যাকফুটে একটু বেশিই খেলতে হবে, তবে সেটা সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ও খুব ভালো মারতে পারে।’ বিশ্বকাপ ওয়েবসাইট।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন