বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মূল কোচ সাকলায়েন মুশতাক ছাড়াও পরামর্শক হিসেবে সাবেক দুই ক্রিকেটার ছিলেন পাকিস্তান দলের সঙ্গে। ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে ম্যাথু হেইডেন ছিলেন। বোলিং কোচ হিসেবে ছিলেন ভারনন ফিল্যান্ডার। বিশ্বকাপের পরই পাকিস্তানের দায়িত্ব শেষ হয়েছে হেইডেনের। বিশ্বকাপের সাফল্য দেখে স্থায়ীভাবেই বিদেশি কোচ চাইছিলেন বাবর আজম, উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও মুশতাক।

default-image

ক্রিকেট পাকিস্তানের এক ভিডিও বার্তায় নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রমিজ রাজা। সেখানেই কোচ নিয়োগে কাদের প্রাধান্য দিচ্ছেন, এ নিয়ে কথা বলেছেন রমিজ, ‘আমি বাবর, সাকলায়েন ও রিজওয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি। আর জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে বিদেশি কোচ নিয়োগের পক্ষে মত দিয়েছে তারা। কিন্তু এ ব্যাপারে আমি একদম উন্মুক্ত। আমার ধারণা, সফরে দেশি কোচদেরও অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ড্রেসিংরুমের আবহাওয়া ঠিক রাখতে হলে স্থায়ী কোচ থাকা জরুরি।’

default-image

বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের জন্য নতুন করে কোনো কোচ নিয়োগ দেয়নি পাকিস্তান। এর পেছনে রমিজ নিজের কারণটা ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর দাবি, খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তা কেমন, সেটা বুঝতে চেয়েছেন তিনি, ‘আমি দেখতে চেয়েছিলাম, তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে কি না, নিজেরা ভাবতে পারে কি না। কঠিন পরিস্থিতিতে কোনো সহযোগিতা ছাড়া যদি টিকতে না পারে, তাহলে একজন অসাধারণ হতে পারবে না।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন