বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহেই শুরু হবে বিশ্বকাপ–সংক্রান্ত যত আনুষ্ঠানিকতা। বিশ্বকাপ দলের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানও এ মাসের শেষ দিকে। ওমানের উদ্দেশে বাংলাদেশ দল দেশ ছাড়বে আগামী ৩ অক্টোবর। সেখানে এক দিনের কোয়ারেন্টিন করে এক সপ্তাহের অনুশীলন ক্যাম্প, তারপর বিশ্বকাপের জৈব সুরক্ষাবলয়ে প্রবেশ করবে মাহমুদউল্লাহর দল। বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কা ও ওমান ‘এ’ দলের সঙ্গে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা বাংলাদেশের। তার আগে দেশেই ‘এ’ দলের হয়ে হাই পারফরম্যান্স বিভাগের বিপক্ষে চট্টগ্রামে দুটি ৫০ ওভারের ম্যাচ খেলবেন মুশফিকুর রহিম ও রুবেল হোসেন। মাঠে ফেরার আগে মুশফিকও চাইলেন নিজের মতো করে কয়টা দিন কাটাতে। সে কারণেই কাল ১৮-১৯ জনের বিশাল পারিবারিক বহর নিয়ে তিনি গেছেন কক্সবাজারে।

১৯ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে খেলতে সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান আছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে। তাঁরা বিশ্বকাপে যোগ দেবেন আইপিএল শেষ করে। এর আগের সময়টা খেলা নিয়ে না ভেবেই থাকার চেষ্টা করছেন মোস্তাফিজ। কাল হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় বাঁহাতি পেসার বলছিলেন, ‘এখন কোয়ারেন্টিনে আছি। কন্ডিশন-খেলা—এসব নিয়ে ভাবছি না। খেলা নিয়ে ভাবা শুরু করব কোয়ারেন্টিন শেষ করে।’

সত্যি কথা বলতে, আমার জন্য দুটি বিশ্বকাপের স্মৃতিই আলাদা। তবে সেসব তো অতীত, এগুলো নিয়ে না ভেবে বর্তমানেই দৃষ্টি দিতে চাই। যেন সুস্থ থেকে বিশ্বকাপে ভালো করতে পারি, সেই প্রার্থনা থাকবে।
তাসকিন আহমেদ

আরেক পেসার তাসকিনের জন্য এবারের বিশ্বকাপ দলে ডাক পাওয়াটাই বড় ঘটনা। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বোলিং অ্যাকশনের কারণে নিষিদ্ধ হওয়ার পর নিজেকে হারিয়েই ফেলেন তিনি। ২০১৯ বিশ্বকাপের দলেও জায়গা হয়নি তাঁর। কিন্তু করোনার সময়ে করা কঠোর পরিশ্রম আবারও বাড়িয়েছে তাঁর বোলিংয়ের ঔজ্জ্বল্য। কাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে তাসকিন বলছিলেন, ‘সত্যি কথা বলতে, আমার জন্য দুটি বিশ্বকাপের স্মৃতিই আলাদা। তবে সেসব তো অতীত, এগুলো নিয়ে না ভেবে বর্তমানেই দৃষ্টি দিতে চাই। যেন সুস্থ থেকে বিশ্বকাপে ভালো করতে পারি, সেই প্রার্থনা থাকবে।’

নুরুলের ফেরার গল্পটাও কম রোমাঞ্চকর নয়। ২০১৮ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ভালো খেলার পরও দল থেকে বাদ পড়েন। দেশের সেরা উইকেটকিপার হয়েও দলে সুযোগ পাচ্ছিলেন না ব্যাটিংয়ের কারণে। সেই ঘাটতি পূরণ করতে ব্যাটিং নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করেছেন নুরুল। বিশ্বকাপ দলে ডাক পাওয়াটা তাঁর জন্যও বিশেষ কিছুই, ‘শুধু বিশ্বকাপ নয়, আমার কাছে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিটি ম্যাচ খেলাই গুরুত্বপূর্ণ। যারা বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলে, সবার জন্যই এটা গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো দলের বিপক্ষেই বাংলাদেশের হয়ে খেলা একটা গর্বের ব্যাপার।’

সেটি যদি হয় বিশ্বকাপের মতো আসরে, গর্বের সীমানাটা যায় আরও বেড়ে। ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠেয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নুরুলদের সামনে সেই গর্বেরই হাতছানি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন