বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বিশ্বকাপের আগে সব দলই ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে। ১৭ অক্টোবর বিশ্বকাপ শুরু হলেও সুপার টুয়েলভ পর্ব শুরু ২৩ অক্টোবর। অর্থাৎ দ্বিতীয় দিনেই টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ম্যাচ দেখা যাবে। ২৪ অক্টোবর দুবাইয়ে দেখা হবে ভারত ও পাকিস্তানের। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ এখন দুর্লভ হয়ে উঠেছে। বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আর এশিয়া কাপ—এ তিন টুর্নামেন্ট ছাড়া ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ দেখার উপায় নেই।

আর উপলক্ষ যখন বিশ্বকাপ, পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে কোনো ইতিবাচক খবর দিতে পারে না। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়নস টফিতে সবাইকে চমকে দিয়ে শিরোপা জিতেছিল পাকিস্তান, সেটাও ভারতকে হারিয়ে। কিন্তু ২০১৯ বিশ্বকাপ আবার প্রমাণ করেছে, বিশ্বকাপের গেরো কাটানো হচ্ছে না তাদের। বৃষ্টির কারণে ছোট হয়ে আসা ম্যাচেও বিশাল ব্যবধানে হেরেছিল পাকিস্তান।

default-image

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিলিয়ে এ নিয়ে ১২ বার দেখা হয়েছে দুই দলের। ওয়ানডে বিশ্বকাপে সাতবার ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচবার দেখা হলেও পাকিস্তানের ভাগ্যে জয় আসেনি কখনো। এবার তাই ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্যে নামতে হচ্ছে পাকিস্তানকে। কিছুদিন ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের যে ফর্ম, তাতে যেকোনো কন্ডিশনে তারাই এখন ফেবারিট। বিরাট কোহলির অধীনে এখন আর শুধু ঘরের বাঘ নয়, বাইরেও সিংহ হয়ে উঠেছে দলটি।

বাবর আজম অবশ্য এতে দমে যাচ্ছেন না। ২৪ অক্টোবরের ম্যাচে পাকিস্তান জিতবে বলেই তাঁর ধারণা। আইসিসির সঙ্গে কথোপকথনে তাঁর এমন দৃঢ় বিশ্বাসের কথা জানিয়েছেন। এমন বিশ্বাস তাঁকে দিচ্ছে বিশ্বকাপের কন্ডিশন, ‘আমরা ৩-৪ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্রিকেট খেলছি। এই কন্ডিশন আমাদের ভালো চেনা। আমরা জানি উইকেট কেমন আচরণ করবে এবং ব্যাটসম্যানদের কীভাবে মানিয়ে নিতে হবে। ম্যাচের দিন যারা ভালো খেলবে, তারাই জিতবে। আমাকে জিজ্ঞেস করলে বলব, আমরাই জিতব।’

default-image

কন্ডিশনের কথা চিন্তা করে পাকিস্তানকে এগিয়ে রাখতে চাইছেন বাবর। ওদিকে এক মাস ধরে ভারতের সব ক্রিকেটারই আরব আমিরাতে নিয়মিত খেলছেন। আইপিএলের সুবাদে ভারত দলের সব ক্রিকেটার, এমনকি বিকল্প খেলোয়াড়েরাও আরব আমিরাতের সব ভেন্যুর সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছেন।

ওদিকে এই প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন বাবর। সে বিশ্বকাপেই যাচ্ছেন অধিনায়ক হিসেবে। প্রথম পরীক্ষাতেই প্রত্যাশার ভার বইতে পারবেন এবং ভারতকে হারাতে পারবেন, ‘এমন আশা পাকিস্তানের তরুণ অধিনায়কের, আমরা সব ম্যাচের চাপ ও তীব্রতা ভালোভাবেই জানি। প্রথম ম্যাচের চাপ যে বেশি, তা–ও জানি। আশা করি, আমরা এই ম্যাচ জিতব এবং এ থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাস নিয়ে সামনে এগোব। দল হিসেবে আমাদের আত্মবিশ্বাস ও মনোবল এখন অনেক চড়া। আমরা অতীত নিয়ে পড়ে থাকব না, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছি। আমরা এর জন্য প্রস্তুত হচ্ছি। আমি আত্মবিশ্বাসী আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি এবং ওই দিন ভালো ক্রিকেট খেলব।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন