বিজ্ঞাপন
default-image

সিসিডিএমের সদস্যসচিব আলী হোসেন আজ প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘বিষয়গুলো দেখার জন্য আমাদের প্রতিনিধি থাকবে সব জায়গায়। তাঁরা যদি দেখে যে কোনো নিয়ম ভাঙা হচ্ছে, তাহলে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দরকার হলে দলের পয়েন্টও কাটা যাবে।’

করোনাভাইরাসের মধ্যেই গত মার্চে জাতীয় লিগ দিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু হয়। কিন্তু ক্রিকেটার ও কর্মকর্তা মিলিয়ে ১১ জনের করোনা ধরা পড়ায় মাঝপথে লিগ স্থগিত হয়ে যায়। জৈব সুরক্ষাবলয় নিয়েও উঠেছিল প্রশ্ন। সে কারণেই এবার বিসিবির বাড়তি সতর্কতা।

ওদিকে জৈব সুরক্ষাবলয়ে ঢোকার আগে প্রিমিয়ার লিগের ১২টি ক্লাবের ক্রিকেটার ও কর্মকর্তা মিলিয়ে প্রায় ৩০০ জনের করোনা পরীক্ষায় ৯ জন পজিটিভ হয়েছেন। তাঁরা হলেন প্রাইম ব্যাংকের নাহিদুল ইসলাম, অমিত মজুমদার ও মনির হোসেন, লিজেন্ড অব রুপগঞ্জের পিনাক ঘোষ, প্রাইম দোলেশ্বরের রেজাউর রহমান ও তৌকির খান; আবাহনীর শাহীন আলম ও ব্রাদার্সের আবু রেজা মোহাম্মদ শরিফুল হাসান এবং নাঈম ইসলাম জুনিয়র। তাঁদের মধ্যে শাহীনের ফলস পজিটিভ এসেছে বলে জানিয়েছে সূত্র। বাকিদের আজ আবার করোনা পরীক্ষার নমুনা দেওয়ার কথা।

এবারের লিগে অংশ নেওয়া ১২টি দলকেই জৈব সুরক্ষাবলয়ে রাখবে বিসিবি।

কাল সব দলের ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাদের দ্বিতীয় দফা করোনা পরীক্ষা হওয়ার কথা। এরপর ২৯ মে দলগুলো জৈব সুরক্ষাবলয়ে প্রবেশ করার পর ৩১ মে শুরু হবে প্রিমিয়ার লিগের খেলা। প্রথম পাঁচ রাউন্ডের খেলা চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত।

এবারের লিগে অংশ নেওয়া ১২টি দলকেই জৈব সুরক্ষাবলয়ে রাখবে বিসিবি। ক্রিকেটাররা থাকবেন ঢাকার চারটি তারকাখচিত হোটেলে—ইন্টারকন্টিনেন্টাল, সোনারগাঁও, আমারি ও ওয়েস্টিন। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে থাকবে আবাহনী, শাইনপুকুর ও ডিওএইচএস। সোনারগাঁওয়ে শেখ জামাল ধানমন্ডি, গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ও ব্রাদার্স। আমারিতে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ, প্রাইম দোলেশ্বর ও পারটেক্স। ওয়েস্টিনে রাখা হবে প্রাইম ব্যাংক, মোহামেডান ও খেলাঘরের ক্রিকেটারদের। জৈব সুরক্ষাবলয়ের বিশাল খরচ বহনের পাশাপাশি বিসিবি ক্লাবগুলোকে আর্থিকভাবে সহায়তা করারও আশ্বাস দিয়েছে বলে জানা গেছে।

default-image

এবার তাই ক্লাবগুলোর বলতে গেলে তেমন কোনো খরচই নেই। জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকা-খাওয়ার সব খরচই বহন করবে বিসিবি। অবশ্য তারপরও ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিকে কোপ পড়বে। ক্লাবগুলোর সঙ্গে চুক্তিতে থাকা পারিশ্রমিকের চেয়ে ২০ শতাংশ কম টাকা পাবেন ক্রিকেটাররা। তবে আলী হোসেন বলেছেন, এই নিয়ম শুধু ১০ লাখ টাকার বেশি যাঁদের পারিশ্রমিক, তাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ক্রিকেটাররাও নাকি এই শর্তে রাজি হয়েছেন।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী অবশ্য লিগের আয়োজনটাকেই দেখছেন খেলোয়াড়দের স্বার্থে। কাল প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘এবার যদি খেলা না হয়, তাহলে পরপর দুই মৌসুম খেলা হবে না। আমাদের তো মাঠে খেলা রাখতে হবে। সে জন্য ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের স্বার্থেই আমরা এই খরচটা করছি।’

টি-টোয়েন্টি সংস্করণের এবারের লিগে খেলা হবে তিনটি ভেন্যুতে। তবে প্রয়োজেন মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম এবং বিকেএসপির দুই মাঠের পাশাপাশি খেলা হতে পারে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামেও।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন