বোলারের বিষয়টি থাকছে সাকিবের ওপরই

বিজ্ঞাপন
default-image
>বাংলাদেশ টেস্ট স্কোয়াডে তিন পেসারের বিপরীতে চার বিশেষজ্ঞ স্পিনার। দেশের মাঠে আরেকটি টেস্টেও কি তবে একাদশে পেসারের চেয়ে স্পিনারের আধিক্যই অব্যাহত থাকছে? বিষয়টি সাকিবের ওপর ছেড়ে দিচ্ছেন পেস বোলিং কোচ

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে খেলা দুদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ শেষ হয়েছে আজ। প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে ভালোভাবে ঝালিয়ে নিতে পেরেছেন মাহমুদউল্লাহ। সেঞ্চুরি করেছেন বাংলাদেশ দলের মিডলঅর্ডারের এই ব্যাটসম্যান। আজ কেউ সেঞ্চুরি না পেলেও ফিফটি পেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন। তবে সবচেয়ে ভালো প্রস্তুতি হয়েছে পেসারদের।

দুদিনের এ ম্যাচে ২০ উইকেটের ১৬টিই পেয়েছেন পেস বোলাররা। সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন আবু জায়েদ ও ইবাদত হোসেন। তিনজনই আছেন টেস্ট দলে। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান, ইফরান আহমেদ ও আরিফুল হক। টেস্ট দলে থাকা তিন পেসারের মধ্যে কে সবচেয়ে মুগ্ধ করেছে—বিকেলে প্রস্তুতি ম্যাচ শেষে প্রশ্নটা কৌশলে এড়িয়ে গেলেন পেস বোলিং কোচ শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট, ‘তিনজনই আমাকে মুগ্ধ করেছে। তাদের স্কিল ও ধারাবাহিকতা ভালো ছিল। তবে লেংথে আরও সময় লাগবে যাতে দিনে তিনটা স্পেল করতে পারে।’

প্রস্তুতি ম্যাচে পেসাররা ভালো করছেন বলেই যে সবাই একাদশে সুযোগ পাবেন সেটির কোনো নিশ্চয়তা নেই। স্কোয়াডে তিন পেসারের বিপরীতে চার বিশেষজ্ঞ স্পিনার থাকা যে ভিন্ন বার্তা দেয়। বোলিং আক্রমণে একাধিক পেসার থাকবে না কি আগের মতোই স্পিন–নির্ভর হবে, সেটি অবশ্য অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের ওপর ছেড়ে দিচ্ছেন ল্যাঙ্গাভেল্ট, ‘আমি একজন ফাস্ট বোলার। দলে আমি বেশি পেসার দেখতে চাইব। তবে কন্ডিশনও বুঝতে হবে। কন্ডিশন অনুযায়ী আপনাকে খেলতে হবে। যদি অধিনায়ক মনে করে তার আরও একটু সময় দরকার, আমি বলতে পারি না তিন পেসার নেওয়া হোক একাদশে। এটা পুরোপুরি নির্ভর করছে সাকিবের ওপর।’

পেসাররা কেমন সুযোগ পাবেন, সেটি পরে। তবে তাঁদের সঙ্গে কাজ করে ল্যাঙ্গাভেল্টের ভালো লাগছে। বাংলাদেশে এসেই বলেছিলেন বোলারদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করবেন, ভালো সম্পর্ক তৈরি করবেন। দক্ষতা নিয়ে কাজ করতে এটি অনেক সহায়তা করবে বলেই তাঁর বিশ্বাস। এ কদিনে পেসারদের সঙ্গে তাঁর বেশ সখ্যতা তৈরি হয়েছে। বোলারদের কে কেমন সাড়া দিচ্ছেন সেটি জানালেন পেস বোলিং কোচ, ‘ইবাদত সম্ভবত আমাকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন করে। ফিজের শুরুটা ভালো। হয়তো ভিন্নধর্মী প্রশ্ন করবে আমাকে। আর তাসকিন তো প্রশ্ন করতেই থাকে। প্রায় সবাই আমাকে নানা বিষয়ে জিজ্ঞেস করে।’

দলের কাউকে ল্যাঙ্গাভেল্টের লাজুক মনে হয়নি। তাঁর কথা হচ্ছে, প্রশ্ন না করলে শেখা যাবে না। শিখতে হলে প্রশ্ন করতে হবে। মোস্তাফিজ–তাসকিনরা শেখার এ সুযোগ নিশ্চয়ই কাজে লাগাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন