বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে মুশফিকুর রহিম আবার ছিলেন অতি সতর্ক, ৩৭ বল খেলেও কোনো বাউন্ডারি পাননি তিনি। সাকিব বা লিটন বা পরে মুশফিকের ওপর চাইলেই পরিস্থিতির দাবি মেটানোর ব্যর্থতার দায় চাপানো যায়। প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো অবশ্য ৭৬ রানে অলআউট হওয়ার পরও বাংলাদেশের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচের কোনো দায় দেখছেন না।

ডমিঙ্গো বলছেন, শুরুতেই রানরেট বাড়তে দিতে চাননি তাঁরা। তবে টানা উইকেট হারানোটাই কাল হয়েছে বলে ম্যাচের পর বিসিবির দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন তিনি, ‘আমার মনে হয় না ব্যাটিং অ্যাপ্রোচে কোনো সমস্যা ছিল। আমরা প্রয়োজনীয় রানরেটের চেয়ে এগিয়ে থাকতে চেয়েছিলাম। কারণ, পিছিয়ে পড়লেই পরে কাজটা কঠিন হয়ে যায়। আমরা তাই ভালো, ইতিবাচক শুরু করতে চেয়েছিলাম। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা শুরুতে এবং পরে গুচ্ছাকারে উইকেট হারিয়েছি। নতুন ব্যাটসম্যানের জন্য এসেই শট খেলা কঠিন। আমার মনে হয় এটাই ঘটেছে। ভালো শুরু করেছি, ২ ওভারে ২০ (১৫) রান হয়েছে, তবে পরের ৪-৫ ওভারে আরও ৪-৫টি উইকেট হারিয়েছি। এটাই অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে আমাদের।’

default-image

এদিন নিউজিল্যান্ড বুদ্ধিদীপ্ত ক্রিকেট খেলেছে বলে মনে করেন ডমিঙ্গো। খেলার ধরনটাই এমন, সেটাও মনে করিয়ে দিয়ে তাই সফরকারীদেরই কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি। অবশ্য উইকেটটা যেমন হবে ভেবেছিলেন, হয়নি সেটাও। দ্বিতীয় ম্যাচের পর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বলেছিলেন, ফ্লাডলাইটের নিচে ব্যাট করা তুলনামূলক সহজ হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের জন্য। এদিন তেমনটা হয়নি, বলছেন ডমিঙ্গো, ‘এটা মোটামুটি গড়পড়তা স্কোরই ছিল। (তবে) আমরা আশা করেছিলাম আগের দিনের মতো আজও (সন্ধ্যায় ব্যাটিংয়ের সময়) বল একটু স্কিড করবে। তবে উইকেট ভালো হয়নি, হয়তো খারাপই হয়েছে পরে। তবে যখন ২ ওভারে ২০ রান, আর ১১০ রান প্রয়োজন, সেখান থেকে যেভাবে শেষ হয়েছে ম্যাচটা—তাতে আমি হতাশ।’

আপাতত আজ কী ঘটল, সেটা নিয়ে আর ভাবতে চান না বাংলাদেশের প্রধান কোচ। ঘরের মাটিতে সর্বনিম্ন রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার পরও ইতিবাচক দিক খুঁজতে চান তিনি। সাম্প্রতিক সময়ের যে পারফরম্যান্স, তাতে এমন একটা দিনের পর কাউকে দোষ দিতে চান না ডমিঙ্গো। আর ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, এ উইকেটে প্রতিপক্ষকে ১৩০ রানের নিচে আটকে দেওয়াটাই কৃতিত্ব বোলারদের।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন