বিজ্ঞাপন

আজ সিরিজের শেষ ম্যাচে মোসাদ্দেক দলে থাকলেও তাঁর আগে নামানো হয় নুরুল হাসানকে। তিনি ৪৫ রানে অপরাজিত থেকে ভবিষ্যৎ মিডল অর্ডারের সম্ভাব্য প্রতিনিধির তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছেন।

আজ খেলা শেষে তামিমও বললেন ব্যাটিং অর্ডারের পাঁচ-ছয় নম্বরে সমস্যার কথা, ‘সবাইকেই সুযোগ দেওয়া উচিত। মিঠুন শেষ দু-তিন ম্যাচে খুব ভালো করতে পারেনি। কিন্তু নিউজিল্যান্ডে আমাদের যে একটা ম্যাচ জেতা উচিত ছিল, সেখানে কিন্তু মিঠুনের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল। আমরা পাঁচ-ছয় নম্বরে আদর্শ কাউকে পাইনি। আমরা চেষ্টা করছি। তাদের সুযোগ দিচ্ছি। আজ সোহানের ইনিংস খুবই ভালো ছিল। এখানে দু-তিনজন এক জায়গার জন্য লড়ছে।’

default-image

পরশু থেকে শুরু হয়ে যাওয়া তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজেও পরীক্ষা–নিরীক্ষা চলবে। ওয়ানডে সিরিজের সেরা খেলোয়াড় সাকিব আল হাসানের কথায়ও একই ইঙ্গিত ছিল, ‘এখন হয়তো কিছু পরীক্ষা করার সুযোগ আছে। একই সঙ্গে যখনই দল জিতবে, আত্মবিশ্বাসটা বেড়ে যাবে। সেদিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এটা।’

তবে জিম্বাবুয়েকে তাদের আঙিনায় ধবলধোলাই করা যে সহজ কথা নয়, সেটিও মনে করিয়ে দিলেন সাকিব, ‘বেশ কিছু পরিস্থিতি ছিল, বেশ কিছু জায়গায় পরীক্ষা হয়েছে। আমরা ভালোভাবেই উতরে গেছি। সেদিক থেকে ভালো। যেটা বললাম, ভালো বা উন্নতির শেষ নেই। এখান থেকে যত উন্নতি করা যায়। এভাবে করতে থাকলে মূল লক্ষ্যটা অর্জন করা যাবে।’

ওয়ানডে দলের মূল লক্ষ্যটা ২০২৩ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেওয়া। সে জন্য দলকে গুছিয়ে নেওয়ার যা সুযোগ আছে, তা দুই হাতে নিতে বলছেন অধিনায়ক তামিম, ‘সিরিজ জেতাতে অবশ্যই খুশি। তবে মনে হয়, আমরা আরও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি দল হিসেবে। বিশ্বকাপের আগে আমাদের ১২-১৩টা ম্যাচ আছে। ম্যাচগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যখন বিশ্বকাপে যেতে চাই, আমাদের পরিপূর্ণ দল হতে হবে।’

default-image

বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই বেছে বেছে ওয়ানডে সুপার লিগের ম্যাচ খেলবেন তামিম। হাঁটুর চোটের কারণে যেমন জিম্বাবুয়ে সফরের একমাত্র টেস্টে খেলেননি তিনি। তবে ঝুঁকি নিয়ে খেলেছেন তিনটি সুপার লিগের ম্যাচ। পরশু শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজ না খেলে বাড়ি ফিরবেন তিনি। থাকবেন প্রায় দুই মাসের বিশ্রামে।

তবে চোটের ব্যথা জয় করে তামিম তাঁর সফরের শেষ ম্যাচটা রাঙিয়েছেন সেঞ্চুরিতে, ‘আমি হয়তো দেখাচ্ছিলাম না। কিন্তু অনেক ব্যথা সহ্য করে খেলছিলাম। আমার পায়ে অনেক টেপ লাগানো ছিল। চোটটা এমন, আমি হয়তো চালিয়ে যেতে পারব। কিন্তু এটা যদি বেড়ে যায়, তখন আপনি ৭-৮ মাস খেলার বাইরে চলে যেতে পারেন। ওই ঝুঁকি নেওয়ার মনে হয় না দরকার আছে। আমি ৮-১০ সপ্তাহ যদি বিশ্রাম নেই, পুনর্বাসন করি, তাহলে আমি বিশ্বকাপের আগে সুস্থ থাকব।’

তামিমের সঙ্গে সাকিবেরও টি-টোয়েন্টি না খেলে জিম্বাবুয়ে ছাড়ার কথা শোনা যায় বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায়। সাংবাদিকদের পাঠানো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে সাকিব-তামিম দুজনই নিজেদের মধ্যে এ নিয়ে কথা বলছিলেন। তবে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাকিবের জিম্বাবুয়ে ছেড়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন