ছবিটা প্রতীকী ধরে নিতে পারেন। মাহমুদউল্লাহ যেন দেখাচ্ছেন বাংলাদেশের বিদায়ের দরজাই
সম্প্রচার শেষ ০২ নভেম্বর ২০২১, ১৯: ৪৭

৬ উইকেটে হেরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিল বাংলাদেশ

১৫: ৩৯, নভেম্বর ০২

টস 

টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা।

আবুধাবিতে সুপার টুয়েলভের বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের সরাসরি আপডেটে আপনাকে স্বাগত!

১৫: ৪৩, নভেম্বর ০২

বাংলাদেশ একাদশে নেই মোস্তাফিজ

১৫ জনের একাদশ থেকে আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও সাকিব আল হাসান। সাইফউদ্দিনের জায়গায় রুবেল হোসেনকে নেওয়া হলেও সাকিবের বদলি হিসেবে কাউকে নেয়নি বাংলাদেশ। ম্যাচের আগের দিনই হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানিয়েছেন, ফিট হয়ে উঠতে পারেননি নুরুল হাসানও। ফলে কার্যত ১৩ জনের দলে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছিল এ ম্যাচের আগেই।

মোস্তাফিজুর রহমানকে ছাড়াই আজ নামছে বাংলাদেশ। খেলছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান শামীম হোসেন। জায়গা হয়নি রুবেল হোসেনেরও।

বাংলাদেশ একাদশ

লিটন দাস, মোহাম্মদ নাঈম, শামীম হোসেন, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ।

১৫: ৪৬, নভেম্বর ০২

অপরিবর্তিত দক্ষিণ আফ্রিকা

আগের ম্যাচের একাদশ অপরিবর্তিত রেখেই নামছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ

রিজা হেনড্রিকস, কুইন্টন ডি কক, রেসি ফন ডার ডুসেন, টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), এইডেন মার্করা, ডেভিড মিলার, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, কাগিসো রাবাদা, কেশব মহারাজ, আনরিখ নর্কিয়া, তাব্রেইজ শামসি

১৬: ০৪, নভেম্বর ০২

এই প্রথম!

২০০৬ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি

২০০৭ বিশ্বকাপ

২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

২০১১ বিশ্বকাপ

২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

২০১৫ বিশ্বকাপ

২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি

২০১৯ বিশ্বকাপ

অভিষেকের পর থেকে আইসিসির বৈশ্বিক ট্রফিতে বাংলাদেশের প্রতিটি ম্যাচেই খেলেছেন সাকিব আল হাসান। আজ প্রথমবারের মতো তাঁকে ছাড়া এমন টুর্নামেন্টে নামছে বাংলাদেশ।

হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শেষ দুই ম্যাচে* খেলতে পারছেন না এ অলরাউন্ডার।

*শেষ চারে খেলার সম্ভাবনা শুধু অঙ্কের হিসেবেই টিকে আছে বাংলাদেশের। কার্যত আজ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ৪ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পরই ফিরে আসতে হবে মাহমুদউল্লাহর দলকে।

default-image
১৬: ০৯, নভেম্বর ০২

ধীরগতির শুরু

কেশব মহারাজ প্রথম ওভারে করেছেন আঁটসাঁট বোলিং। দ্বিতীয় ওভারে কাগিসো রাবাদাকে কাভার ড্রাইভে একটা চার মেরেছেন লিটন দাস, তবে এ ওভারেও ৫ রানের বেশি ওঠেনি।

বাংলাদেশ ৯/০, ২ ওভারে।

১৬: ১৭, নভেম্বর ০২

ফিরলেন নাঈম

শুরু থেকেই টাইমিংয়ে ভুগছিলেন নাঈম। এইডেন মার্করামের মিসফিল্ডে একটা বাউন্ডারি পেলেও সে পর্যন্তই। রাবাদার লেংথ বলে টেনে মারতে গিয়ে শর্ট মিডউইকেটে ক্যাচ দিলেন তিনি। ১১ বলে করেছেন ৯ রান, বাংলাদেশ হারিয়েছে প্রথম উইকেট।

বাংলাদেশ ২২/১, ৩.৫ ওভার।

১৬: ২২, নভেম্বর ০২

রাবাদার পরপর ২ বলে নেই নাঈম, সৌম্য

মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলে এর চেয়ে বিপজ্জনক কিছু হয়তো পেতে পারতেন না সৌম্য। কাগিসো রাবাদার স্কেলমাপা ইয়র্কারে ব্যাট নামানোর আগেই বিপদ ঘটে গেছে তাঁর। দক্ষিণ আফ্রিকার এলবিডব্লুর আবেদনে আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওর্থ সাড়া দেননি, তবে বাভুমা করেছিলেন রিভিউ। ব্যাট নাকি বুট- কোনটায় আগে আঘাত করেছে, প্রশ্ন ছিল সেটাই। আল্ট্রা এজ দেখিয়েছে, ব্যাটের আগে লেগেছে বুটেই। হক-আইয়ে বাঁচার কোনো সুযোগ ছিল না সৌম্যর।

নাঈমের পর সৌম্য ফিরলেন পরপর দুই বলে। পরের ওভারের প্রথম বলে হ্যাটট্রিকের সামনে থাকবেন রাবাদা।

বাংলাদেশ ২২/২, ৪ ওভার।

১৬: ৩০, নভেম্বর ০২

হ্যাটট্রিক না পেলেও মুশফিকের উইকেট পেলেন রাবাদা

হ্যাটট্রিক বলে লিডিং-এজ হয়েছিল, তবে গালির একটু সামনে পড়ায় বেঁচে গেয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। পরের বলটা গুডলেংথ থেকে ভেতরের দিকে ঢুকল, মুশফিক করলেন ডিফেন্ড। এরপর ঘন্টায় ৮৫ মাইল গতির লাফিয়ে ওঠা বলে আউটসাইড-এজড মুশফিক, গালিতে গেল ক্যাচ। হেনড্রিকস একটু গড়বড় করে ফেলেছিলেন, তবে শেষ পর্যন্ত ক্যাচটা নিয়েছেন ঠিকঠাকই।

বাংলাদেশ ২৪/৩, ৫.৩ ওভার।

১৬: ৩৫, নভেম্বর ০২

আবারও পাওয়ারপ্লে-বিপর্যয়

৬ ওভার, ২৮ রান, ৩ উইকেট। ৩টি উইকেটই নিয়েছেন কাগিসো রাবাদা, ৫ বলের ব্যবধানে। প্রথম ৬ ওভারে আরও একবার পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।

default-image
১৬: ৪৭, নভেম্বর ০২

জোড়ায় জোড়ায় উইকেট হারাচ্ছে বাংলাদেশ

যেন হওয়ারই কথা ছিল। আনরিখ নর্কিয়ার পেস ও বাউন্সের সমন্বয় সামলাতে পারলেন না মাহমুদউল্লাহ। শর্ট অব আ লেংথ থেকে বাউন্স করা বল ছিল মাহমুদউল্লাহর মাথা বরাবর, ব্যাট তুলতে পারেননি। বাংলাদেশ অধিনায়কের গ্লাভস ছুঁয়ে যাওয়ার পর সেটা আঘাত করেছে কাঁধে, এরপর গেছে পয়েন্টে এইডেন মার্করামের হাতে।

মাহমুদউল্লাহ আবার রিভিউ করেছিলেন ইলিংওর্থের সিদ্ধান্ত, আল্ট্রা-এজ দেখিয়েছে পরিষ্কার স্পাইক। ৩৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

পরের ওভারের প্রথম বলে ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসকে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে পুরোপুরি মিস করে গেছেন আফিফ হোসেন। হারিয়েছেন স্টাম্প। ২ বলের ব্যবধানে বাংলাদেশ হারিয়েছে আরও ২ উইকেট।

১৬: ৫২, নভেম্বর ০২

৩৬ রান, ৫ উইকেট, ৯ ওভার

এতটুকুই। আপাতত এর বেশি কিছু বলার নেই বাংলাদেশ ইনিংস নিয়ে।

চাইলে নিচের টুইটটা দেখতে পারেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম ৯ ওভারে সর্বশেষ ৫ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ ২০০৭ সালে। সেবার ৮৩ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল তারা। আজ যাবে কতদূর?

১৭: ০৮, নভেম্বর ০২

শামসি এসেই ফেরালেন লিটনকে

আক্রমণে এলেন টি-টোয়েন্টির এক নম্বর বোলার তাব্রেইজ শামসি। আঘাত করতে সময় লাগল ৩ বল। ওভার দ্য উইকেট থেকে করা বলটা ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন শামসি, মিস করে গেছেন লিটন। ইলিংওর্থের সিদ্ধান্ত আরেকবার রিভিউ করেছেন লিটন, তবে মাহমুদউল্লাহর মতো ব্যর্থ এ রিভিউও।

এতক্ষণ শুধু অপেক্ষাই করলেন যেন লিটন। ৩৬ বলে ২৪ রান করে থামতে হলো তাঁকে।

১৭: ১০, নভেম্বর ০২

৭০

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন স্কোর ৭০। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ছিল সেটি।

default-image
১৭: ১৭, নভেম্বর ০২

চার, রিভিউ

১৩তম ওভারের প্রথম বলে মহারাজকে একটা চার মেরেছেন মেহেদী হাসান। ইনিংসের সেটা তৃতীয় বাউন্ডারি, এর আগে সর্বশেষটি এসেছিল ২.৫ ওভারে।

শামীমের বিপক্ষে শামসির বলে এলবিডব্লুর জন্য এরপর একটা রিভিউ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, তবে সফল হয়নি সেটা।

বাংলাদেশ ৫৭/৬, ১৪ ওভার।

১৭: ২৩, নভেম্বর ০২

রাবাদার শেষের পর শেষ শামীমেরও

নিজের শেষ ওভারে দুইটা নো-বল করলেন রাবাদা। প্রথম ফ্রি হিটে রান নিতে পারেননি মেহেদী, পরেরটিতে শামীম নিয়েছেন ২ রান।

৪ ওভারের স্পেল শেষ করলেন রাবাদা। ১৪টি ডট করেছেন, ২০ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। দ্রুতগতির উইকেট পেয়ে সেটা কাজে লাগিয়েছেন দারুণভাবে, সঙ্গে পেয়েছেন মুভমেন্টের দেখাও।

রাবাদার শেষের পর শামসি করতে এসেছেন তৃতীয় ওভার। সামনে এসে খেলতে গিয়ে লং-অনে ধরা পড়েছেন শামীম। শামসি নিলেন দ্বিতীয় উইকেট, বাংলাদেশ হারাল সপ্তম উইকেট।

default-image
১৭: ২৬, নভেম্বর ০২

ছয়, তুমি কই?

১৭: ২৮, নভেম্বর ০২

উড়ছেন শামসি, উড়ছে দক্ষিণ আফ্রিকা

default-image
১৭: ৩৬, নভেম্বর ০২

প্রথম রান-আউট, প্রথম ছয়

এমন ইনিংসে একটা রান-আউট থাকলে যেন শূন্য শূন্যই লাগত। অবশ্য এ ম্যাচে গ্রাউন্ড-ফিল্ডিংয়ে বেশ পিচ্ছিলই ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আপাতত সেসব পুষিয়ে দিলেন বাভুমা। শামসির বলে মিড অফে খেলে সিঙ্গেল চুরি করতে গিয়েছিলেন তাসকিন, সরাসরি থ্রো-তে স্টাম্প ভেঙেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক। ২.৪ ওভার বাকি থাকতে অষ্টম উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

ঠিক পরের বলে সামনে এসে এক্সট্রা কাভারের ওপরে দিয়ে ইনিংসের প্রথম ছয় মেরেছেন মেহেদী হাসান।

বাংলাদেশ ৮৪/৮, ১৮ ওভার।

১৭: ৪৫, নভেম্বর ০২

৮৪ রানে থামল বাংলাদেশ

কাগিসো রাবাদার জোড়া উইকেটে শুরু, আনরিখ নর্কিয়ার জোড়া উইকেটে শেষ।

মেহেদী হাসান ফিরতি ক্যাচ দেওয়ার পর নাসুম আহমেদ হয়েছেন হিট-উইকেট। বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ৮৪ রানেই। টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বনিম্ন ৭০ রানের স্কোর পেরোতে পেরেছে বাংলাদেশ, এমন দিনে হয়তো সান্ত্বনা সেটাই।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে রাবাদার গতির তোপে পড়েছিল বাংলাদেশ। এরপর তাব্রেইজ শামসির ঘূর্ণি সামলাতে পারেনি তারা। নর্কিয়াও হাজির হয়েছেন গতি নিয়ে।

পাওয়ারপ্লেতেই পথ হারিয়ে ইনিংসের মাঝের ওভারগুলোতেও সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষদিকে ২৫ বলে ২৭ রানের ইনিংস খেলেছেন মেহেদী, বাংলাদেশ ইনিংসে সর্বোচ্চ সেটাই। ইনিংসের সর্বোচ্চ জুটিটি ২২ রানের।

default-image
১৭: ৫৯, নভেম্বর ০২

তাসকিনের আঘাত

রাবাদা-নর্কিয়া যে উইকেটে গতির ঝড় তুলেছেন, টুর্নামেন্টের অন্যতম সর্বোচ্চ গতির তাসকিনই বা বাদ যাবেন কেন! প্রথম দফা পরাস্ত করেও অবশ্য রিজা হেনড্রিকসের উইকেট পাননি। প্রথম ওভারের শেষ বলে পেলেন সেটা।

ব্যাক অব আ লেংথ থেকে ভেতরের দিকে ঢোকা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ৮৮ মেইল, হেনড্রিকস মিস করে গেছেন সেটা। আম্পায়ার পল রাইফেলের এলবিডব্লুর সিদ্ধান্ত রিভিউ করেননি। ৬ রানে প্রথম উইকেট হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

default-image
১৮: ১৭, নভেম্বর ০২

ডি কককে ফেরালেন মেহেদী

প্রথম ৪ ওভারে ২০ রান ওঠার পর মেহেদী হাসানের ওপর চড়াও হয়েছিলেন কুইন্টন ডি কক। এ অফ স্পিনারকে টানা দুই চার মেরেছেন তিনি। তবে বোল্ড হয়েছেন এরপর। স্কিড করা ডেলিভারি মিস করে গেছেন এ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। ২৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

১৮: ২৩, নভেম্বর ০২

আবার তাসকিন

তাসকিন আহমেদের অফস্টাম্পের বাইরে সিম মুভমেন্ট। ব্যাট এগিয়ে ভুল করলেন এইডেন মার্করাম। একমাত্র স্লিপে থাকা মোহাম্মদ নাঈম নিয়েছেন ভালো একটা ক্যাচ। ৪ বল খেলে শূন্যতেই ফিরেছেন মার্করাম। ৩৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

শেষ হয়েছে পাওয়ারপ্লে।

১৮: ৫০, নভেম্বর ০২

নিরাপদ পথে প্রোটিয়ারা

৩৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ও রেসি ফন ডার ডুসেন হাঁটছেন নিরাপদ পথেই। এ ম্যাচে জয়ের সঙ্গে রান-রেট বাড়িয়ে নেওয়ার ব্যাপারও ছিল প্রোটিয়াদের। তবে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে সেদিকে নজর দেওয়ার সুযোগ খুব একটা মেলেনি তাদের। অবশ্য জয় বেশ কাছে চলে এসেছে, একটা লাফ দিতেই পারে তারা।

১৮: ৫২, নভেম্বর ০২

বোলিংয়ে সৌম্য

৬ষ্ঠ বোলার হিসেবে বোলিংয়ে এসেছেন সৌম্য সরকার। পঞ্চম বলে বাভুমা মেরেছেন চার। শেষ ৪৮ বলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ১৮ রান।

১৮: ৫৩, নভেম্বর ০২

সবচেয়ে বেশি সুইং

১৮: ৫৬, নভেম্বর ০২

৮ ওভার, ৩৩ রান, ২ উইকেট

তাসকিন ও শরীফুলের সম্মিলিত বোলিং ফিগার। পাওয়ারপ্লেতে এ টুর্নামেন্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে আজই সবচেয়ে বেশি সুইং পেয়েছেন পেসাররা, বলছে ক্রিকভিজ। তবে বাংলাদেশ আজ খেলায়নি মোস্তাফিজুর রহমানকে।

তাসকিন ৪ ওভারে দিয়েছেন ১৮ রান, নিয়েছেন ২ উইকেট। উইকেট না পেলেও ১৫ রান দিয়েছেন শরীফুল, ৪ ওভার বোলিং করে।

default-image
১৮: ৫৯, নভেম্বর ০২

হাইলাইটস রিলে শরীফুল

শেষদিকে সুযোগ নিতে চেয়েছেন বাভুমা ও ফন ডার ডুসেন। দুজনই নাসুমকে মেরেছেন একটি করে চার। ওভারের শেষ বলে জয় থেকে ৫ রান দূরত্বে থাকার সময় নাসুমকে ছয় মারতে গিয়েছিলেন ফন ডার ডুসেন। মিড-অনে ফিল্ডারও ছিলেন বৃত্তের ভেতরেই। তবে বাউন্ডারির দিকে পেছন দিকে ছুটতে থাকা শরীফুল নিয়েছেন দুর্দান্ত এক ক্যাচ। টুর্নামেন্টজুড়েই ক্যাচ মিস ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে, শরীফুল করলেন ব্যতিক্রমী কিছুই। হাইলাইটস প্যাকেজে নিশ্চিতভাবেই থাকবে সেটা, বলাই যায়!

১৯: ০৪, নভেম্বর ০২

৬ উইকেটে জয় দক্ষিণ আফ্রিকার

৮৪ রানের সম্বল, সেটা নিয়ে খুব একটা লড়াই করতে পারার কথাও নয় বাংলাদেশের। শুরুতে তাসকিন আহমেদ একটু চাপে ফেলে দিয়েছিলেন প্রোটিয়াদের। তবে সে চাপ সামলে নিয়েছে তারা।

রেসি ফন ডার ডুসেন ফিরলেও শেষ পর্যন্ত ২৮ বলে ৩১ রান অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। মেহেদী হাসানকে মারা ডেভিড মিলারের চারে ৩৯ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে তারা। সেমিফাইনালের পথেও তারা পেয়েছে গুরুত্বপূর্ণ জয়। ৪ ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট ৬, তবে রান-রেট ০.৭৪২।

টানা চার ম্যাচ হেরে অবশেষে খাতা-কলমেও বিশ্বকাপ থেকেও বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। ৪ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটা বাংলাদেশের জন্য এখন শুধুই আনুষ্ঠানিকতার।