গ্রস ইসলেটে টসে জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু দলীয় ৮ রানেই এভিন লুইসকে হারিয়ে প্রথম ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর ২৪ রানে ক্রিস গেইল, ৩৫ রানে লিন্ডল সিমন্স আর ৬৫ রানে নিকোলাস পুরানকে হারিয়ে বেশ বিপদেই পড়ে যায় তারা। এরপর অবশ্য আন্দ্রে রাসেল শিমরন হেটমায়ার আর ফাবিয়েন অ্যালেনকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন দুটি ৩৬ রানের জুটি। হেটমায়ার ২৫ বলে ২০ করেন। মাঝে অবশ্য নিকোলাস পুরান ১৬ বলে ১৭ করেন। তবে ক্যারিবীয় দলের ইনিংসের মেরুদণ্ড ছিলেন রাসেলই। তিনি ২৮ বলে ৫১ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে লড়াইয়ের রসদ দেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শেষ পর্যন্ত গিয়ে থামে ১৪৫/৬। রাসেলের ইনিংসে ছিল ৩ বাউন্ডারি আর ৫টি বিশাল ছক্কা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে শুরুর ধাক্কাটা দিয়েছিলেন দুই অস্ট্রেলীয় পেসার জস হ্যাজলউড আর মিচেল মার্শ। হ্যাজলউড নেন ৩ উইকেট, মার্শ ২টি।

১৪৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়াও প্রথম উইকেট হারায় ৮ রানে। আউট হয়ে ফেরেন অ্যারন ফিঞ্চ। এই জায়গায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে মিল অস্ট্রেলিয়ার। তবে ম্যাথু ওয়েড বিপর্যয়টা বড় হতে দেননি। এ ওপেনার মাত্র ১৪ বলে ৩৩ করেন। মিচেল মার্শ করেন ৩১ বলে ৫১। মোটামুটি শুরুর উইকেট হারানোর ধাক্কাটা সামলে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে যেতে থাকে। এক পর্যায়ে ৫ উইকেট হারিয়ে ১০ ওভারের মধ্যেই ১০৮ তুলে ফেলা অস্ট্রেলিয়া জয়ই দেখছিল। কিন্তু এই পর্যায়ে এসে বড় একটা মড়কই লাগে তাদের ইনিংসে। পরপর আউট হয়ে ফেরেন মার্শ, অ্যাশটন অ্যাগার, ড্যান ক্রিস্টিয়ানরা। এই মড়কেই মূলত শেষ হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা। তারা ১২৭ রানের বেশি যেতে পারেনি।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে আতঙ্ক ছড়িয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁ হাতি পেসার ওবেড ম্যাককয়। তিনি মাত্র ২৬ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট । এ ছাড়াও ফাবিয়েন অ্যালেন ২৪ রানে ২টি আর হেইডেন ওয়ালশ ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন।