বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা হওয়ার কথা ছিল ভারতে। কিন্তু করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় আয়োজক ভারত আইসিসির অনুমতি নিয়েই পুরো টুর্নামেন্টটা ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে করার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৭ অক্টোবর ওমানের মাসকাটে আল আমেরাত স্টেডিয়ামে হবে বিশ্বকাপের প্রথম পর্বের প্রথম ম্যাচ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল হবে ১৪ নভেম্বর। এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচেই দর্শক রাখার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি আইসিসি বা আমিরাত সরকার। তবে পরীক্ষামূলকভাবে আইপিএলের এই পর্বের ম্যাচগুলোতে গ্যালারিতে সীমিত দর্শক ঢোকার অনুমতি দিয়েছে আমিরাত সরকার।

default-image

আমিরাতের বর্তমান নিয়মানুসারে যেকোনো খেলায় গ্যালারিতে ধারণক্ষমতার সর্বোচ্চ ১০ ভাগ দর্শক থাকতে পারবেন। সেটাও দেশটির করোনা নীতিমালা মেনে। শারজায় যেমন মাঠে ঢোকার শর্ত হচ্ছে—১৬ বছরের বেশিদের অবশ্যই করোনা টিকা নেওয়া থাকতে হবে এবং মাঠে ঢোকার আগের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর টেস্টে নেগেটিভ হতে হবে।

পিসিআর টেস্টের ক্ষেত্রে আবুধাবিতেও প্রায় একই শর্ত, তবে সেখানে ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী দর্শকের জন্য করোনার টিকা নেওয়া থাকাটা বাধ্যতামূলক নয়।

ধারণা করা হচ্ছে, আইপিএলের ম্যাচগুলোতে এই সীমিতসংখ্যক দর্শককে মাঠে ঢোকার অনুমতি দিয়ে আসলে বিশ্বকাপের আগে পরিস্থিতিটা বুঝতে চায় আমিরাত সরকার। যদি পরিস্থিতি ভালো থাকে, তাহলে হয়তো একই নিয়মে বিশ্বকাপের সময়ও মাঠে দর্শক ঢোকার অনুমতি দিতে পারে আমিরাত সরকার।

default-image

বাকি সব ম্যাচগুলোতে দর্শক থাকুক বা না থাকুক, অন্তত ফাইনালে দর্শক রাখতে চায় বিসিসিআই ও ইসিবি। বার্তা সংস্থা এএনআইকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক সূত্র বলেছে, ‘বিসিসিআই ও ইসিবি যত বেশি পারা যায় দর্শককে ফাইনালের দিন মাঠে রাখতে চায়। সব নিময়কানুন মেনে যদি এই অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে মাঠে রোমাঞ্চকর একটা আবহ থাকবে। দুই বোর্ডই কর্তৃপক্ষের কাছে এই অনুমতি চেয়েছে।’

সূত্রের দাবি, ২৫ হাজার দর্শককে মাঠে ঢোকার অনুমতি দিতে আমিরাত সরকারের কাছে অনুরোধ করে চিঠি পাঠিয়েছে বিসিসিআই ও ইসিবি। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতাই ২৫ হাজার। তার মানে ভরা গ্যালারিতেই ফাইনাল চায় বিসিসিআই ও ইসিবি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন