default-image

ইন্দোর টেস্ট তিন দিনও খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। মুমিনুল হকের দল হেরেছে ইনিংস ও ১৩০ রানে। ভারতীয় দলও আশা করেনি এই টেস্ট শেষ হয়ে যাবে তিন দিনেই!

ব্যাটিং-বোলিং দুটিতেই বাংলাদেশকে পাত্তাই দেয়নি ভারত। যে তিনটা দিন খেলা হয়েছে, একটি সেশনেও বাংলাদেশ আশা জাগাতে পারেনি। যে ৯টি সেশন খেলা হয়েছে প্রতিটিতে শুধুই ভারতের দাপট। খেলাটা ছিল টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর বনাম নয় নম্বর দলের। সাদা পোশাকে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ দুর্দান্ত কিছু করবে এটি আশা করা বাড়াবাড়ি। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভালো করার পর প্রত্যাশার পারদটা উঁচুতে উঠেছিল। ড্র কিংবা জয় দূরের বাতিঘর হলেও মুমিনুলরা অন্তত পাঁচটা দিন লড়াই করবে—এটাই প্রত্যাশা ছিল বাংলাদেশের দর্শকদের।

লড়াইয়ের ছিটেফোঁটা দেখা যায়ইনি, মনে হয়েছে বাংলাদেশ যেন টেস্টটা শেষ হলেই বাঁচে! আজ সংবাদ সম্মেলনে আসা ভারতীয় ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর বললেন, তাঁরাও আশা করেননি ইন্দোর টেস্ট শেষ হয়ে যাবে এত দ্রুত, ‘তিন দিনে ম্যাচ শেষ হয়ে যাবে এটা আমরা কেউ অনুমান করতে পারিনি। বাংলাদেশ তো ভালো দল। হ্যাঁ, আমরা ভালো বোলিং করেছি। ওদের প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্তটা কাজে দেয়নি। ওদের প্রথম ইনিংসে ভালো করতে না পারাটা আমাদের কাজে দিয়েছে। তিন দিনেই ম্যাচ শেষ হয়ে গেছে। আমরা সত্যি এটা আশা করিনি।’

বাংলাদেশ খারাপ করেছে, এটি রাঠোরের জন্য অবশ্যই খুশির খবর। তাঁর দল দুর্দান্ত জয় পেয়েছে। তবে ভারতীয় ব্যাটিং কোচের কিছুটা ‘খারাপ’ লাগছে ইন্দোরের দর্শকদের জন্য, যাদের সুযোগ হলো না আরও দুটি দিন খেলা দেখার! ইন্দোর এমনিতেই ভারতীয় ক্রিকেটে পিছিয়ে পড়া এক প্রদেশ, তুলনামূলক ছোট ভেন্যু। হোলকার স্টেডিয়ামে টেস্ট আয়োজন হয়ও কালেভদ্রে। কদিন আগে বিরাট কোহলি আবার বলেছেন গ্যালারিভরা দর্শক দেখতে ভারতে টেস্ট আয়োজন করা উচিত নির্দিষ্ট পাঁচটি বড় ভেন্যুতে।

ইন্দোরের দর্শকেরা ব্যতিক্রম, তিনটা দিনই তারা গ্যালারি জমিয়ে রেখেছিল। তবুও যে নিশ্চয়তা নেই এখানে আবার কবে আয়োজন করা হবে পরবর্তী টেস্ট!

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন