বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের একটি ভিডিওতে বোল্ট বলেছেন ভারতের মাটিতে খেলার চ্যালেঞ্জ উপভোগ করেন তাঁরা, ‘নিঃসন্দেহে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় মঞ্চ বিশ্বকাপ, কিন্তু এরপরেই ভারতের বিপক্ষে তাদের মাটিতে খেলা। আমি মনে করি ছেলেরা কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে চ্যালেঞ্জের জন্য উন্মুখ হয়ে বসে আছে। পাশাপাশি এখানকার উইকেটের ধরন বুঝতে পারাও খেলায় বড় একটা প্রভাব ফেলবে।’

default-image

আরব আমিরাতে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বও খেলেছেন বোল্ট। জৈব সুরক্ষাবলয়ে থেকে একটানা এত দিন খেলেছেন বলেই এখন টেস্ট সিরিজ না খেলে বিশ্রামে যাচ্ছেন বলে জানান এই পেস তারকা, ‘সবাই নিউজিল্যান্ডের গ্রীষ্মের জন্য অপেক্ষা করছে। আমিও সুযোগ পাওয়া মাত্রই লাল বল হাতে নেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমি প্রায় ১২ সপ্তাহের মতো টানা ক্রিকেট খেলছি। ফলে এখন একটু সতেজ হয়ে গ্রীষ্ম মৌসুমে ফেরত আসতে পারব বলে আশা করছি।’

মাত্র কয়েক দিন আগেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৮ উইকেটে পরাজিত হয়েছে কিউইরা। সে ক্ষত যে এখনো দগদগে, সেটা ফুটে উঠল বোল্টের কথায়, ‘খেলার ফলাফলটা মেনে নিতে এখনো কষ্ট হলেও জীবন আসলে থেমে থাকে না। দেখুন না, ফাইনাল শেষে হোটেলে গেলাম, সেখানে আমাদের ব্যাগগুলো আগেই বের করা ছিল। সেগুলো নিয়ে একটা চার্টার্ড ফ্লাইটে করে আমরা জয়পুরে এসে এখন আরেকটা হোটেলে চলে এসেছি।’

ছয় বছরে তিনটি আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে হারলেও ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি দলটা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন বোল্ট, ‘সব মিলিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। তবে এটা দুঃখজনক যে আমরা জিততে পারিনি। বিশ্বকাপের সঙ্গে যে চাপ এবং উত্তেজনাটা আসে, এগুলো তরুণদের জন্য দারুণ শিক্ষণীয়।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন