default-image

বিরাট কোহলির ইনিংসটাই ভারতকে জয়ের রাস্তা দেখিয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে। তবে আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কোহলির কাজটা হবে কঠিন। পাকিস্তানের চেয়ে ওরা অনেক বড় হুমকি।
আগের ম্যাচে ভারতের ব্যাটিংটা দারুণ হয়েছে। শেষ দিকে পা হড়কালেও ৩০০ রান অবশ্যই জেতার মতো ছিল। ফিল্ডিংয়েও দলের নিবেদন ছিল স্পষ্ট। তবে ভারতের সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে ফাস্ট বোলিংয়ে। তিন ফাস্ট বোলারই আমাকে মুগ্ধ করেছে। মাঝে মাঝে লাইন-লেংথটা অবশ্য ঠিকঠাক রাখা যায়নি। এই জায়গায় আরেকটু ধারাবাহিক হতে হবে তাদের। দক্ষিণ আফ্রিকায় দারুণ কিছু ব্যাটসম্যান আছে, এটা ভুলে গেলে চলবে না।
আজ কোহলির দিকেই দৃষ্টি থাকবে বেশি। ওর ব্যাটিং সামর্থ্য নিয়ে বলার কিছু নেই। সে অসাধারণ একজন খেলোয়াড়, টাইমিং-স্ট্রোক প্লে দুটোই দুর্দান্ত। ক্রিজে ওর উপস্থিতিই সম্ভ্রম জাগায়। কোনো সন্দেহ নেই, কোহলির এসব গুণ আছে। একসময় টেন্ডুলকার, দ্রাবিড়, গাভাস্কারদের মতো কিংবদন্তিদের সঙ্গেই উচ্চারিত হবে তার নাম।
এখনকার অধিনায়ক ধোনির জায়গাটা কোহলিই নেবে। সে কেমন করবে সেটা এখনই বলা মুশকিল। তবে এখন পর্যন্ত তাকে বেশ সম্ভাবনাময়ই বলতে হবে।
তবে বিরাটের (কোহলির) ব্যক্তিত্বের দুর্বল একটা দিক আছে, দলের ওপর সেটি নেতিবাচক প্রভাবও ফেলতে পারে। সে খুবই আগ্রাসী, মাঝেমধ্যেই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের সঙ্গে তার ঠোকাঠুকি হয়ে যেতে পারে। সে তার হতাশা ঢাকা বা উল্লাস প্রকাশে কখনোই কৃপণ নয়। আম্পায়াররা অনেক সময় এটি পছন্দ করে না। ব্যাপারটা যে ঠিক খারাপ, তা নয়, কোনো বিষয়ে পরিষ্কার হওয়ার জন্য আম্পায়ারের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু ব্যাপারটা বেশি দূর গড়ালে অধিনায়ককে নিষেধাজ্ঞা বা জরিমানা পেতে হয়। খেলার চেতনা যাতে ঠিক থাকে সেটা নিশ্চিত করাই অধিনায়কের দায়িত্ব। আপাতত দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ম্যাচের আগে কোহলির ব্যাটের দিকেই তাকিয়ে থাকবে ভারত। (হক আই)।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন