default-image

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ ভারত সফরটা শেষ হলো মিশ্র অভিজ্ঞতায়। মহা সংকটে থাকা এক দল ভারতে গিয়েই প্রথম ম্যাচ জিতে যে আশার রেণুর ওড়ানো দলটিই টেস্টে নাকানি-চুবানি খেয়ে এসেছে। ইতিমধ্যে দেশে ফিরেছে দল। সফরের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুখ ছিলেন পেসার আবু জায়েদ। এই পেসারই আশ্বাস দিলেন ভবিষ্যতে ভালো করার, বললেন উন্নতির চেষ্টার কথা।

টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভালোভাবেই লড়াইয়ে থাকা বাংলাদেশ দল টেস্টে একসমই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারেনি। বিশেষ করে কলকাতায় দিবারাত্রির টেস্টে গোলাপি বলে বিভ্রান্ত মনে হয়েছে পুরো দলকে। গোলাপি বলে বল করার অভিজ্ঞতায় তৃপ্ত আবু জায়েদ স্বীকার করেছেন, পেসারদের আরও ভালো করা উচিত ছিল। দুই টেস্টের দুই ইনিংসে ৬ উইকেট পাওয়া জায়েদের মতে, ‘আরেকটু ভালো হতে পারত। পেস বোলিং যেহেতু দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যদি আমরা আরেকটু ভালো করতাম, দলের জন্য আরও ভালো হতো। গোলাপি বলের অভিজ্ঞতা বলতে গেলে ভালো। যেহেতু বলটা একটু বাড়তি সুইং করে। বিশেষ করে পেস বোলারদের জন্য ভালো। এ থেকে আমরা শিক্ষা নিয়েছি। আশা করি ভবিষ্যতের টেস্টগুলোতে আরও ভালো হবে।’

বাংলাদেশের বোলাররা আশানুরূপ করতে না পারলেও ভারতীয় পেসাররা ছিলেন দুর্দান্ত। সিরিজে ৩৪ উইকেটই ভাগাভাগি করে নিয়েছেন ভারতের তিন পেসার। আবু জায়েদ জানালেন প্রতিপক্ষের কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করছেন তিনি, ‘মোহাম্মদ শামির সঙ্গে কথা হয়েছে। কালও আধা ঘণ্টা কথা হয়েছে ওনার সঙ্গে। বেশ কিছু কৌশল দেখিয়েছেন। সেগুলো চেষ্টা করব, আশা করি ভালো কিছু হবে। ফিটনেস নিয়ে বেশি জোর দিয়েছেন। যেহেতু পেস বোলারদের ফিটনেস ভালো হলে অনেক সময় ধরে বল করা যায়। ফিটনেসেই জোর দিয়েছেন বেশি।’

টানা দুই ম্যাচে ইনিংস পরাজয়। দুটি ম্যাচই তৃতীয় দিনে শেষ হওয়া দলের আত্মবিশ্বাসকে নড়বড়ে করে দিয়েছে। এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে দলকেই এগিয়ে আসতে হবে। আবু জায়েদ জানালেন, তাঁরা সবাই মিলে সে কাজটাই করবেন পাকিস্তান সফরের আগে, ‘অবশ্যই আমরা নিজেরা এ নিয়ে কথা বলি। যেহেতু আমি পেসার, আমাদের বিভাগ নিয়েই বলব। এখানে আমরা এসব নিয়ে কাজও করি। হয়তো ফল আসতে একটু সময় লাগবে, তবে আসবেই। আমরা নিজেদের স্কিল উন্নত করার চেষ্টা করি সব সময়। যেহেতু বিপিএল আসছে, বিপিএলের পরই এটা নিয়েও চেষ্টা করব।’

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন