বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সংবাদমাধ্যম হেরাল্ড সানকে নিজের করোনা অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন শেন ওয়ার্ন। ভেন্টিলেশনের ঘটনাটা উঠে এসেছে সেখানেই, ‘এমন না যে আমার শ্বাসকষ্ট হয়েছিল বলে ভেন্টিলেশনে থাকতে হয়েছিল। ব্যাপারটা হয়েছিল একটা পরীক্ষা করতে। এর বেশি কিছু না। শরীরে কোভিডের প্রভাব আছে কি না, থাকলে কতটুকু, সেটি জানতেই ভেন্টিলেটরে থাকতে হয় আমাকে।’

করোনা তাঁকে খুব বেশি ভোগায়নি। কিন্তু অভিজ্ঞতাটা খুব মোটেও ভালো ছিল না বলেই জানিয়েছেন, ‘মাথাব্যথা দিয়ে অসুস্থতাটা শুরু হয় আমার। মনে হচ্ছিল আমি যেন আচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছি। পরীক্ষার পর পজিটিভ এলে পরের দুদিন মনে হচ্ছিল মাথা যেন ছিঁড়ে যাচ্ছে। এরপর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর এল।’

default-image

দুই ডোজ টিকা নেওয়ার পরই করোনা হয় ওয়ার্নের, ‘কিছুদিনের জন্য স্বাদ, গন্ধ চলে গিয়েছিল আমার। তিন–চার দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাই। মজার ব্যাপার হচ্ছে, দুটি টিকা নেওয়া ছিল আমার।’

হান্ড্রেডস ক্রিকেটে লন্ডন স্পিরিট ও সাউদার্ন ব্রেভের খেলার আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওয়ার্ন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ও লন্ডনের আরেক সাপোর্ট স্টাফকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়। প্রথমে ল্যাটারাল ফ্লো টেস্টে তাঁর করোনা পজিটিভ আসে। সেটি নিশ্চিত করা হয় আরটি–পিসিআর টেস্টের মাধ্যমে।

এখন পুরোপুরি ভালো আছেন ওয়ার্ন। তিনি অবশ্য অস্ট্রেলিয়া সরকারের ‘শূন্য কোভিড রোগী’ নীতির একজন কড়া সমালোচক।

default-image

স্পিন কিংবদন্তির মতে, অস্ট্রেলীয় সরকার কোভিডের ব্যাপারে যে নীতি অনুসরণ করছে, সেটি কোনোমতেই বাস্তবসম্মত নয়, ‘প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন কিংবা স্টেট প্রিমিয়াররা (রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী) করোনা অতিমারি নিয়ে যে সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছেন, সেগুলো নেওয়া তাঁর জন্য খুব সহজ নয়। কিন্তু যেসব সিদ্ধান্তই তাঁরা নিয়েছেন, সেগুলো ভুল।’ ওয়ার্নের মতে, কোভিড নিয়ে অস্ট্রেলীয় সরকারের নীতি, ‘অবাস্তব’।

অস্ট্রেলিয়া সরকার যে পদ্ধতিতে লকডাউন বাস্তবায়ন করেছে, সেটিকে ‘বাজে পদ্ধতি’ও বলেছেন ওয়ার্ন, ‘এই লকডাউনগুলো ছিল পুরোপুরি অবাস্তব। আমি আশা করি অস্ট্রেলিয়া একদিন এই করোনাভাইরাসের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হবে।’
ওয়ার্ন সবাইকে টিকা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, ‘টিকাই এখন করোনার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার একমাত্র হাতিয়ার।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন