বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পিটিভির মামলা করার পর আইনি পথেই এর জবাব দিয়েছেন শোয়েব। তিনি সঙ্গে সঙ্গে বলে দিয়েছিলেন, সেদিন ক্ষমা চাইলে মাফ করে দিতেন, এখন আর তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়ে লাভ নেই। জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে নিয়াজকে। এ ঝামেলা মেটানোর উদ্যোগ নিয়েছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী।

মন্ত্রী নিজ বাসভবনে দুজনকে ডেকে নেন। সেখানে তিনি শোয়েব ও নিয়াজকে নিজেদের মধ্যকার মন–কষাকষি মিটিয়ে ফেলতে অনুরোধ করেন। মন্ত্রীর অনুরোধ ফেলতে পারেননি দুজনের কেউই। পরস্পরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে খেদ ঝেড়ে ফেলেছেন।

শোয়েব ও নিয়াজের সঙ্গে ফাওয়াদ একটি ছবি তুলে টুইটারে শেয়ার করে লিখেছেন, ‘সব ভালো তার শেষ ভালো যার।’ ফাওয়াদের বাসায় শোয়েব আখতারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়াজ বলেন, লাইভ অনুষ্ঠানে এমন আচরণ করা উচিত হয়নি। জিও নিউজের জ্যেষ্ঠ উপস্থাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সালিম সুফি শোয়েবকে ফাওয়াদের বাসায় নিয়ে যান। ওদিকে নিয়াজকে তথ্যমন্ত্রী নিজেই ফোন করে ডেকে আনেন।

তথ্যমন্ত্রীর বাসা থেকে ফিরে এ নিয়ে টুইট করেন শোয়েব। নিয়াজকে ক্ষমা করে দিয়েছেন বলে টুইটে জানান, ‘নীতিগত জায়গা থেকে আমি ড. নোমান নিয়াজকে ক্ষমা করে দিয়েছি। চলুন এ ঘটনা ভুলে যাই।’ জিও নিউজের সঙ্গে কথা বলার সময় শোয়েব জানান, নিয়াজের সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা নেই তাঁর, ‘আমি জাতির কাছে নোমান নিয়াজকে তাঁর আচরণের জন্য ক্ষমা চাইতে বলি। যেদিন রাতে ঘটনাটি ঘটেছিল, আমি সেদিন রাতেই নিয়াজকে ক্ষমা করে দিয়েছি।’

শোয়েব আরও বলেন, তথ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রমালিকানাধীন চ্যানেল পিটিভি স্পোর্টসকে মানহানি ও আর্থিক ক্ষতির নোটিশটি তুলে নিতে বলেছেন, ‘ফাওয়াদ সাহেব বলেছেন, এ সবকিছু ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে এবং নোটিশটিও তুলে নিতে হবে। সব ঠিকঠাক হয়ে গেছে। আমার পক্ষ থেকে আর কোনো সমস্যা নেই।’

সাবেক এই ফাস্ট বোলার মনে করেন, নিয়াজ অনুষ্ঠানে যা কিছু বলেছেন, তার সবটাই ছিল ভুল, ‘তিনি ক্ষমা চেয়েছেন, কিন্তু এ কাজ তিনি যদি আরও আগে করতেন, তাহলে ঘটনাটা এত বাজে দিকে মোড় নিত না। একটু দেরি করে ফেলেছেন, কিন্তু এখন সব ঠিক হয়ে গেছে।’ ওদিকে নিয়াজ বলেছেন, ‘যত দেরি হোক, ক্ষমা চাইতে দোষ নেই।’

এ সমস্যা সমাধানে সাফি ও ফাওয়াদ চৌধুরী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলেও জানান শোয়েব।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন