বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

৯ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে বিসিএলের লিস্ট ‘এ’ পর্ব। এরপর ২১ জানুয়ারি শুরু হবে ২০২২ বিপিএল। ছুটি কাটিয়ে গতকাল তাই দেশে ফিরেছেন সাকিব। আজ একটি মুঠোফোন প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে সাকিবকে। সে অনুষ্ঠানে নতুন বছরের শুরুতেই বাংলাদেশ দলের এমন দুর্দান্ত এক জয়ে তৃপ্তির কথা জানিয়েছেন সাকিব।

এ জয়ের অনুপ্রেরণা ভালো একটা বছর কাটাতে সাহায্য করবে বলে তাঁর ধারণা, ‘বছরের শুরুটা যেভাবে হলো, অবিশ্বাস্য। খুবই আনন্দিত। দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ—সবাইকে এর কৃতিত্ব দিতে হবে। সবাই যেভাবে চেষ্টা করেছে! কারণ, আমাদের আগের বছরটি ভালো যায়নি। এ বছরটি আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। শুরুটা যেহেতু এত ভালো হয়েছে, আশা করি সামনে আরও ভালো কিছু করতে পারব। আসলে সত্যি বলতে এত ভালো ক্রিকেট বাংলাদেশ খুব কম সময়েই খেলে। প্রত্যেক খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফকে এই কৃতিত্বটা দিতে হয়। তারা এত চাপের মধ্যেও এ রকম একটা কঠিন কন্ডিশনে গিয়ে এত ভালো খেলেছে।’

সাকিবের ধারণা, এ জয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে একটা ভ্রান্তি দূর হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রিকেট মানেই মোটা দাগে পাঁচজন ক্রিকেটারকে আলাদা করে তুলে ধরা। অভিজ্ঞ চারজনকে ছাড়াই দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় সাফল্য পাওয়ায় এখন থেকে ‘পঞ্চপাণ্ডব’ নিয়ে বাড়াবাড়ি কমবে বলে ধারণা সাকিবের, ‘এটা অবশ্যই ভালো লাগার মতো ব্যাপার। সংবাদমাধ্যম সব সময় মনে করে, আমরা চার-পাঁচজন ছাড়া খেলোয়াড় নেই। সেটা ভুল প্রমাণিত হলো বলে আমার ধারণা। তাদের (অন্য ক্রিকেটারদের) যদি এভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়, তারা ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

default-image

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের আগের সেরা ম্যাচের নায়ক ছিলেন সাকিব। ২০১৭ সালে ওয়েলিংটনে ২১৭ রানের সে ইনিংসের পরও পরাজিত দলে ছিলেন সাকিব। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম জয়ের অংশ হতে না পারায় তাঁর নিশ্চয় আক্ষেপ হচ্ছে?

সাকিব বললেন উল্টো, ‘না, আমি বরং অনেক বেশি খুশি হয়েছি যে আমি ছাড়াও জিতেছে। শুধু আমি ছাড়া না, আমি থাকা না–থাকা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হয় না। যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে আমাদের দলটা খেলছে এবং কেমন করছে। সেদিক থেকে আমি খুবই খুশি। খুবই গর্বিত প্রত্যেক খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফের ব্যাপারে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন