বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশের টপ অর্ডারে পরিবর্তন এসেছে ঠিকই, তবে চেহারাটা থাকল বিবর্ণই। টসে জিতে ব্যাটিং নিয়ে ধুঁকতে থাকলেন ব্যাটসম্যানরা। ওপেনিংয়ে নামা অভিষিক্ত সাইফ হাসান ও বেশ লম্বা বিরতির পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ফেরা নাজমুল হোসেনকে মনে হয়েছে অপ্রস্তুতই। বাংলাদেশের উইকেট পতনের শুরুটা অবশ্য মোহাম্মদ নাঈমকে দিয়ে, হাসান আলীর অফস্টাম্পের বেশ বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার পর।

সাইফ যেটুকু সময় ক্রিজে ছিলেন, ভুগেছেন। মোহাম্মদ ওয়াসিমের বলে যেভাবে ব্যাট আর পা আটকে গিয়ে কট-বিহাইন্ড হলেন, সেটিও অস্বস্তিকর। ৮ বলে ১ রান করেই ফিরতে হয়েছে এ ডানহাতিকে। নাজমুল করেছেন ১৪ বলে ৭ রান। ওয়াসিমকে জায়গা বানিয়ে খেলতে গিয়ে সোজা ওপরে তুলেছেন বল, তাতেই যেন ‘মুক্তি’ মিলেছে তাঁর। ১৫ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে এলোমেলো বাংলাদেশের সামনে এরপর ছিল দীর্ঘ পথ, তবে সেটা পাড়ি দিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া হয়নি মাহমুদউল্লাহর। আফিফের সঙ্গে তাঁর জুটিতে উঠেছে ২৫ রান, তবে বাংলাদেশ অধিনায়কের অবদান সেখানে ১১ বলে ৬ রান। মোহাম্মদ নওয়াজের তীক্ষ্ণ টার্ন বুঝে উঠতে পারার আগেই বোল্ড হয়েছেন তিনি।

default-image

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে গিয়ে প্রথম বাউন্ডারি পেয়েছে বাংলাদেশ, প্রথম ১০ ওভারে বাউন্ডারি এসেছে মাত্র দুটি। এরপর ১১তম ওভারে গিয়ে নওয়াজকে টানা দুইটি ছয় মেরেছেন আফিফই। এক ওভার পর শাদাব খানের দ্রুতগতির গুগলিটা মিস করে স্টাম্পিং হওয়ার আগে তিনি করেছেন ৩৪ বলে ৩৬ রান, অনুমিতভাবেই বাংলাদেশ ইনিংসে সর্বোচ্চ যেটি।

৬১ রানে ৫ উইকেট হারানোর পরও বাংলাদেশ যে ১২৭ পর্যন্ত গেছে, তাতে মূল অবদান নুরুল হাসান ও মেহেদী হাসানের। দুজনই মেরেছেন দুইটি করে ছয়, মেহেদী সঙ্গে মেরেছেন একটি চারও। ১৭তম ওভারে ২২ বলে ২৮ রান করে হাসান আলীর বলে ক্যাচ দিয়েছেন নুরুল, মেহেদী শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ২০ বলে ৩০ রানে। ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে হারিস রউফকে স্কুপ করে ছয় মেরেছেন মেহেদী, শেষ বলে গিয়ে পুল করে আরেকটি মেরেছেন তাসকিন। শেষ ওভারে উঠেছে ১৫ রান, শেষ ৬ ওভারে বাংলাদেশ তুলেছে ৬০ রান।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন