বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে নিজের পেসারদের কাঠগড়ায় তুলেছেন রুট। প্রথম দুই টেস্ট হারার কারণ হিসেবে বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না সঠিক লেংথে বল করছি। আমি যদি একদম সত্যি বলি, আমাদের আরেকটু সামনে বল করা উচিত। অনেকগুলো হতাশার মধ্যে এটা একটি। কারণ, চার বছর আগেও এটা করেছি এবং ভুল করেছি। এ থেকে আমরা শিক্ষা নিচ্ছি না। গত সপ্তাহে (ব্রিসবেন টেস্ট) একই ভুল করেছি। আমাদের আরও ভালো হতে হবে এবং দ্রুত শিক্ষা নিতে হবে।’

২৭৫ রানে হারের পর এভাবে বোলারদের দোষ দেওয়াটা মানতে পারছেন না পন্টিং। তাঁর দাবি, বোলাররা যদি সঠিক লেংথে বল না করে এবং অধিনায়ক যদি সেটি বুঝতেই পারেন তাহলে বোলারদের সঠিকভাবে বল করানোটাই অধিনায়কের কাজ। সেটা মাঠে করতে না পেরে সংবাদ সম্মেলনে এভাবে কথা বলার কোনো অর্থ দেখছেন না পন্টিং, ‘যখন এ কথা শুনলাম আমি আরেকটুর জন্য চেয়ার থেকে পড়ে যাচ্ছিলাম। তাদের (বোলারদের) লেংথ পরিবর্তন করানো কার দায়িত্ব? তুমি তাহলে অধিনায়ক কেন? কোন লেংথে বল করতে হবে সেটা যদি ঠিক করে দিতে না পার, তাহলে মাঠে আছ কেন?’

default-image

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কথোপকথনে রুটকে একদম ধুয়ে ফেলেছেন পন্টিং। বলেছেন অধিনায়কত্ব কী জিনিস সেটাই বোঝেন না রুট, ‘জো রুট চাইলেই এসে যা খুশি তা বলতে পারে কিন্তু অধিনায়ক হলে, বোলাররা যে তোমার পছন্দ অনুযায়ী বল করতে পারছে না, সেটা বোঝা উচিত। আর তারা যদি কথা না শোনে, তাদের সরিয়ে দাও, ব্যাপারটা এতই সোজা। যে এ কাজ করতে পারে, তাকে বল দাও। অথবা মাঠেই তাদের কড়া কথা শুনিয়ে দাও, বল কী চাও। অধিনায়কত্ব মানেই তো এটা।’

সিরিজে ব্যাট হাতে জো রুট খারাপ করছেন না। চার ইনিংসে ১৭৫ রান করে শুধু ডেভিড ম্যালানের পরে আছেন অধিনায়ক। কিন্তু মাঠে তাঁর নেতিবাচক ফিল্ডিং সাজানো, বোলিং পরিবর্তনে ব্যর্থতা, ভুল দল নির্বাচন ও ব্যতিক্রমী কিছু করতে না পারার ব্যর্থতা ভোগাচ্ছে দলকে। এর মধ্যে প্রকাশ্যে বোলারদের সমালোচনা করাটা তাঁর ওপরই চাপ বাড়াবে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন