নাজমুল হাসানের কাছে বিষয়টা আরও বেশি অস্বাভাবিক লাগছে। কারণ, জিম্বাবুয়ে সফরে যাওয়ার আগে মাহমুদউল্লাহ লিখিতভাবেই বিসিবিকে জানিয়ে গেছেন তিনি তিন সংস্করণের ক্রিকেটে খেলতে চান। নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘আমরা তো এবার ওদের সবার কাছ থেকেই লিখিত নিয়েছি ভবিষ্যতে তারা কে কোন ফরম্যাটে খেলতে চায়। জিম্বাবুয়ে যাওয়ার চার–পাঁচ দিন আগে এটা নেওয়া হয়েছে। রিয়াদ (মাহমুদউল্লাহ) লিখেছে সে তিন ফরম্যাটেই খেলতে চায়। টেস্টের ক্ষেত্রে লিখেছে, সুযোগ পেলে আমি খেলতে চাই। সে জন্যই তাকে টেস্টে নেওয়া হলো।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘আমি তাকে আমার বাসায় দুবার ডেকে জিজ্ঞেস করেছি এবং সে আমাকে নিশ্চিত করেছে সে টেস্ট খেলতে চায়। আমি তাকে জিজ্ঞস করেছি, প্রয়োজনে তুমি বল করবে তো? সে বলেছে, সে বলও করবে। ও এখন অবসরের কথা বলেছে, এটা তাই আমার কাছে একেবারেই আশ্চর্য লাগছে।’

মাহমুদউল্লাহ যদি সত্যিই এ রকম কোনো কথা ড্রেসিংরুমে বলে থাকেন, সেটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন নাজমুল হাসান, ‘আমার ধারণা, সে হয়তো আবেগের বশে বলেছে। নইলে বোর্ডকে লিখিত দেওয়ার পর টেস্টের মধ্যে এভাবে বলার কথা নয়। টেস্টের মাঝখানে এটা যদি সে করে থাকে, তাহলে সেটার খুব নেতিবাচক প্রভাব পড়বে খেলোয়াড়দের ওপর। এটা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।’ বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘কেউ না খেললে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু সিরিজের মাঝখানে এসব বলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কোনো মানে হয় না।’

হারারে টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা মাহমুদউল্লাহ আসলেই এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, সেটি জানতে তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা হয়েছে। পাঠানো হয়েছে খুদে বার্তাও। কিন্তু তিনি কোনোটারই জবাব দেননি। তবে বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় মাহমুদউল্লাহ শুধু হারারে টেস্ট নিয়েই কথা বলেছেন। অবসরের গুঞ্জন নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। যোগাযোগ করা হলে দলের খেলোয়াড়, কর্মকর্তাদের কেউও এ নিয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।