টেস্টে তৃতীয় ফিফটি পেলেন মিরাজ।
টেস্টে তৃতীয় ফিফটি পেলেন মিরাজ।ছবি: শামসুল হক

চারশ পেরিয়েছে বাংলাদেশের সংগ্রহ। আর এ জন্য কৃতিত্ব দিতে হবে মেহেদী হাসান মিরাজকেই। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহের কল্যাণে বাংলাদেশের স্কোর এ মুহূর্তে ৮ উইকেটে ৪০৯।

মিরাজ এখনো পর্যন্ত ১৪৭ বলে ৮৯ রান করে অপরাজিত। নাঈম হাসানের সংগ্রহ ২০।এ দুজন গড়েছেন ৫০ রানের জুটি।

অনূর্ধ্ব-১৯ যুবদলের অধিনায়ক হিসেবে অলরাউন্ডার হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। অফ ব্রেকের পাশাপাশি ব্যাটিংটাও ছিল দারুণ। কিন্তু জাতীয় দলে নাম লিখিয়ে ব্যাটিংটা পারফরম্যান্সটা কখনোই খুব ভালো হয়নি মেহেদী হাসান মিরাজের। নিচের দিকে নেমেছেন। মোটামুটি কিছু রান করে যেতে পারেন—বাংলাদেশ দলে এই হচ্ছে মিরাজের পরিচিতি। তবে চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে সেই মিরাজই খেললেন দারুণ গুরুত্বপূর্ণ এক ইনিংস।

default-image
বিজ্ঞাপন

২০১৮ সালের নভেম্বরের পর টেস্টে পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস খেললেন মিরাজ। সর্বশেষ ফিফটিটি তাঁর এসেছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, ঢাকার শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। এরপর ১২ ইনিংসে তাঁর সর্বোচ্চ রান ছিল ৩৮। আজ ফিফটিটি এল গুরুত্বপূর্ণ সময়েই। সাকিব আল হাসানের সঙ্গে গড়েছিলেন ৬৭ রানের জুটি। সাকিবের বিদায়ের পর অবশ্য মিরাজকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁ হাতি স্পিনার তাইজুলের মাঝে মধ্যে মাটি কামড়ে পড়ে থাকার সামর্থ্য আছে। সেটি তিনি দেখিয়েছেন আজ চট্টগ্রামে। ৭২ বল খেলে ১৮ রান করে শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।। মিরাজ-তাইজুল জুটিতে এসেছে ৪৪ রান (১১৭ বলৈ)। সাকিবের ফেরার পর এই জুটি যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেটি এখন প্রমাণিতই। তাইজুলের পর উইকেটে এসেছেন নাঈম হাসান।

দ্বিতীয় দিনে সকাল থেকে ২ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতেই ৩৮ রানে আউট হন লিটন দাস। এরপর ৬৮ রান করে ফেরেন সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম দুটি সাফল্যই এনে দিয়েছেন স্পিনাররা। জোমেল ওয়ারিক্যান ও রাকিম কর্নওয়েল। ৪ উইকেট নিয়ে এখনো পর্যন্ত ক্যারিবীয় দলের সেরা বোলার ওয়ারিক্যানই। একটি উইকেট পেয়েছেন গ্যাব্রিয়েল।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন