default-image
নেট রানরেটের মারপ্যাঁচে সেমিফাইনালে যাওয়া হলো না পাকিস্তানের। অথচ নিউজিল্যান্ড আর পাকিস্তানের পয়েন্ট এখন সমান। পাকিস্তানের কোচ মিকি আর্থারের কণ্ঠে তাই আক্ষেপ ঝরল, আইসিসি যদি হেড টু হেড লড়াই বিবেচনা করে শেষ চার নির্ধারণ করত!

বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের পর পাকিস্তানের আক্ষেপ যেন আরেকটু বাড়ল। এর চেয়ে হেরে গেলেই বুঝি দুঃখটা কম হতো। নেট রানরেটের হিসাবটাই শেষ চারের দৌড়ে আটকে দিল সরফরাজদের। পাকিস্তান কোচ মিকি আর্থার তাই অনুরোধ এবং আক্ষেপ মেশানো সুরে বললেন, আইসিসি যদি হেড টু হেড (মুখোমুখি) লড়াই দেখত, তাহলেই আমরা সেমিফাইনালে উঠতাম।

পাকিস্তান কাল বাংলাদেশকে হারালেও টেবিলের চতুর্থ দল হিসেবে সেমিতে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। গ্রুপপর্বে এর আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জিতেছে পাকিস্তান। কিউইদের (০.১৭৫) সঙ্গে রানরেটে পিছিয়ে থাকায় টেবিলের পাঁচে থেকে বিশ্বকাপ ক্রিকেট অভিযান শেষ করতে হচ্ছে পাকিস্তানকে (-০.৪৩)। প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০৫ রানে গুটিয়ে যাওয়াও নেতিবাচক প্রভাব রেখেছে পাকিস্তানের ছিটকে পড়ায়।

কোচ মিকি আর্থার তাই নিজের দুঃখের কথা বললেন, ‘আইসিসি যদি নেট রানরেটের চেয়ে হেড টু হেড লড়াইকে বেশি প্রাধান্য দিত, তাহলে হয়তো আমরা আজ সেমিফাইনাল খেলতে পারতাম। এটা হতাশাজনক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বড় হারের কারণেই আমরা মূলত যেতে পারিনি।’

যেভাবে ১৯৯২ বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি হচ্ছিল, অনেকে তো ধরেই নিয়েছিলেন সরফরাজদের হাতেই শেষমেশ ট্রফি উঠতে যাচ্ছে! কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেমিতেই উঠতে পারেনি পাকিস্তান। তবে নেট রানরেটের আক্ষেপ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিও নাকি পোড়াবে সরফরাজদের। এ প্রসঙ্গে মিকি আর্থার বলেন, ‘আমাদের অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর সুযোগ ছিল, কিন্তু আমরা সুযোগটা কাজে লাগাতে পারিনি।’

তবে আর যা–ই হোক, যেভাবে শুরু করেছিল পাকিস্তান, সে তুলনায় শেষটা অনেক ভালো করেছে বলে মনে করেন আর্থার, ‘কিন্তু একটা জিনিস ভেবে ভালো লাগছে, শেষ চারের দুটো দলকেই হারাতে পেরেছি। অর্থাৎ আমরা ক্রিকেট দল হিসেবে এখন খুব একটা পিছিয়ে নেই।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন