বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

চেন্নাইয়ের উইকেট বরাবরই স্পিনারদের সাহায্য করে। যদিও এবার প্রথম কয়েকটি ম্যাচে সেটা টের পাওয়া যায়নি। আজ কিন্তু ঠিকই স্পিনাররা দাপট দেখালেন। এত দিন দুই আফগান স্পিনার হিসেবে রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবীকে খেলিয়েছে হায়দরাবাদ। রশিদকে বসানোর চিন্তা কারও মাথায় আসবে না, তাই আজ নবীর বদলে সুযোগ মিলেছে মুজিবের। আর তাতেই কেল্লা ফতে।

গত মৌসুমে ধার হারিয়ে ফেলা মুজিব আজ দারুণ করেছেন। ২৯ রান দিয়ে শুধু ২ উইকেটই পাননি, মুম্বাইয়ের রানের গতি একদম স্লথ করে দিয়েছেন। ওদিকে রশিদ খানকে কোনো মুম্বাই ব্যাটসম্যান উইকেট দেননি। কিন্তু তাঁর বলে রান নেওয়ার চেষ্টাটাও খুব একটা হয়নি। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়েছেন রশিদ। দুই স্পিনারের সঙ্গে বলের গতি কমিয়ে সাফল্য পেয়েছেন মিডিয়াম পেসার বিজয় শংকরও। ৩ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট পেয়েছেন শংকর।

default-image

মাঝের ওভারগুলোই মুম্বাইকে বিপদে ফেলে দিয়েছে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই ৫৩ রান তোলা মুম্বাই শেষ ৪ ওভারে ৪৩ রান তুলেছে। মাঝের ১০ ওভারেই সেই দল নিয়েছে মাত্র ৫৪ রান! পাওয়ার প্লে শেষ হতেই রোহিত (৩২) ফিরে গেছেন শংকরের বলে। সূর্যকুমার যাদবও তাঁর শিকার। এক প্রান্ত ধরে খেলছিলেন কুইন্টন ডি কক। কিন্তু তাঁর ৩৯ বলে ৪০ রানের লড়াই মুজিব শেষ করে দিয়েছেন ১৪তম ওভারে। টেস্ট মেজাজে থাকা ঈশান কিষানও (২১ বলে ১২) তাঁর শিকার।

মুম্বাইকে শেষ দিকে উদ্ধার করেছেন পোলার্ড। ১ চার ও ৩ ছক্কায় ২২ বলে ৩৫ রান তুলেছেন পোলার্ড।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন