বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের উইকেট সকালের সেশনে পেসারদের সাহায্য করলেও দিন গড়িয়ে চলার সঙ্গে ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হয়ে আসে। টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নামা বাংলাদেশ দলও তিন পেসার ও বিশেষজ্ঞ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজকে ব্যবহারকে কুলিয়ে উঠতে পারেনি।

শেষ সেশনে উইকেটের দেখা পেতে দুই ‘পার্ট-টাইম’ স্পিনার নাজমুল হোসেন ও মুমিনুল হক আসেন বোলিংয়ে। তাঁদের নিরীহ গোছের স্পিনে কনওয়ের কোনো সমস্যাই হওয়ার কথা না। ভুল। ক্রিকেট যে মজার খেলা সেটাই নতুন করে বোঝালেন কনওয়ে।

৮০তম ওভারে মুমিনুলের ভদ্রস্থ ডেলিভারিটি কনওয়ের পায়ের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিল। ওয়ানডেতে বলটা ছেড়ে দিলে নিঃসন্দেহে ওয়াইড হতো। কিন্তু কনওয়ে ব্যাটে খেলার চেষ্টা করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন লিটন দাসকে। এর মধ্য দিয়ে শেষ হলো ২২৭ বলে তাঁর ১২২ রানের ইনিংস।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪ উইকেটে ২৩৪ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। হেনরি নিকোলসের (২২*) সঙ্গে উইকেটে রয়েছেন টম ব্লান্ডেল (১*)।

৪৮ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত ৩১ ইনিংসে বল করেছেন মুমিনুল। এই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেই ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে এ সংস্করণে প্রথম উইকেটের দেখা পান বাঁহাতি স্পিন করা বাংলাদেশ অধিনায়ক।

সেবারও শতক তুলে নেওয়া বিজে ওয়াটলিংকে তুলে নিয়ে উইকেটের খাতা খোলেন মুমিনুল। চার বছর পর পচেফস্ট্রুম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসে নেন ৩ উইকেট। এর মধ্যে ২টি উইকেট ছিল শতকের পথে এগিয়ে যাওয়া টেম্বা বাভুমা ও ফাফ ডু প্লেসির।

বাভুমা ৭১ ও প্লেসি ৮১ রানে আউট হন। আজ টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের ৫ম উইকেটের দেখা পেলেন মুমিনুল।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন