মুমিনুল বলছেন, দলে তিনজন খেলোয়াড় নেই

বিজ্ঞাপন
default-image

প্রশ্নটা উঠছে বাংলাদেশের ভারত সফরের শুরু থেকেই। বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধি হয়ে যিনিই সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন একটা অভিন্ন প্রশ্ন সব ক্রিকেটারকে কম-বেশি শুনতে হয়েছে—সাকিব আল হাসান নেই, তামিম ইকবাল নেই। এ শূন্যতা বাংলাদেশ পূরণ করবে কীভাবে? কতটা চ্যালেঞ্জিং হবে? ইত্যাদি।

খেলোয়াড়েরাও সবাই প্রায় একই উত্তর দিচ্ছেন—তাঁদের শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়। তবে দলে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের জন্য এটা অনেক বড় সুযোগ। আজ বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হকের সিরিজ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনটা প্রায় ‘সাকিব-তামিমমুক্ত’ হতে যাচ্ছিল। অধিনায়ক চেয়ার ছেড়ে যেই না উঠতে যাবেন, তখনই পুরোনো প্রশ্নটা ঠিকই হলো—সাকিব-তামিম নেই, কতটা চ্যালেঞ্জিং হবে এ সিরিজ?

সাকিব-তামিমের অনুপস্থিতি কত বড় শূন্যতা, সেটি সংখ্যা দিয়ে বোঝালেন মুমিনুল, ‘আমার মনে হয় দুজন নয়, দলে তিনজন খেলোয়াড় নেই! সাকিব ভাই তো একজনের জায়গায় দুজন, নেই তামিম ভাইও। হ্যাঁ, একটু চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে যাঁরা নেই তাঁদের নিয়ে পড়ে থাকলে তো হবে না। যারা আছে তাদের নিয়েই আমাদের খেলতে হবে। এখন সবাই অনেক বেশি মনোযোগী। আমার মনে হয়, সবাই অনেক বেশি দায়িত্ব নিয়ে খেলবে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপকে সবাই একটা সুযোগ হিসেবে দেখছে। আমাদের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু, সেটাও ভারতের বিপক্ষে। সবাই ভালো করতে উন্মুখ।’

সাকিব-তামিমকে ছাড়াই টি-টোয়েন্টি সিরিজটা জমিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ যেভাবে ভারতের মাটিতে এসে ভারতের চোখে চোখ রেখে লড়েছে, এটি ভীষণ প্রশংসিত হয়েছে। টেস্টে কি সেটা ধরে রাখতে পারবে তারা? ভারত টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দল। খেলাটা আবার ভারতের মাটিতেই, যেখানে বিশ্বের কোনো দলই সুবিধা করতে পারে না। মুমিনুল পরিসংখ্যান-রেকর্ড-র‍্যাঙ্কিং দেখে খেলতে রাজি নন,‘বিষয়টা পুরোপুরি মনস্তাত্ত্বিক। যখন কোনো দলের বিপক্ষে খেলবেন, সবকিছুই আপনার লক্ষ্য রাখতে হবে। কে কতটা শক্তিশালী, কার ব্যাটিং কেমন, বোলিং কেমন সবই লক্ষ্য করতে হবে। আপনার ভাবনা কেমন হবে এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

টেস্ট ক্রিকেটে ২০ বছরে পা দিয়েছে বাংলাদেশ। দুদিন আগেই পূর্ণ হলো ১৯ বছর। প্রায় দুই দশকের পথচলায় ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান না করে নিতে পারলেও মুমিনুল বলছেন, লম্বা এ যাত্রায় ক্রিকেটারদের মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছে, ‘গত ২০ বছরে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মানসিকতায় পরিবর্তন এসেছে। মানসিকভাবে সবাই অনেক এগিয়েছে। আরও ভালো করার তাগিদ এসেছে নিজেদের মধ্যে। সবাই অনেক বেশি সিরিয়াস। চার দিনের ম্যাচ খেলার ইচ্ছা এখন অনেক বেড়েছে।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন