default-image

পাঁচ দিনের রুম কোয়ারেন্টিন শেষে আবার দলে যোগ দিয়েছেন পন্টিং। হয়তো স্বস্তির নিশ্বাসই ছাড়ছেন এখন। দূরে থেকে দলকে হারতে দেখার অনুভূতিটা যে তাঁর জন্য বিষময় ছিল! ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে পাঁচ দিন আগের সেই ম্যাচ দূর থেকে দেখার অভিজ্ঞতা জানালেন পন্টিং, ‘খুবই বিরক্তিকর ছিল। আমার মনে হয় আমি তিন-চারটা রিমোট ভেঙেছি, কয়েকবার হয়তো পানির বোতল দেয়ালে গিয়ে লেগেছে (হাসি)।’

কোচ হয়ে দূরে বসে ম্যাচ দেখতে হওয়ার অসহায়ত্বই ফুটে উঠেছে পন্টিংয়ের পরের কথায়, ‘আপনি কোচ হয়ে যখন সাইডলাইনে থাকছেন, মাঠে কী হচ্ছে না হচ্ছে সেটা আপনি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতে পারেন। সেটাই যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু আপনি যখন (দলের খেলার সময়ে) মাঠেই থাকবেন না, আরও বেশি হতাশা জাগায় সেটি।’

পন্টিং কিছুটা হতাশ মৌসুমে দলের পথচলা দেখেও। এ পর্যন্ত মৌসুমের অর্ধেক, অর্থাৎ সাত ম্যাচে ৩ জয় ও ৪ হার দিল্লির, পয়েন্ট তালিকায় মোস্তাফিজরা আছেন সাত নম্বরে। প্লে-অফে খেলতে তো সেরা চারে থাকতে হবে, চার নম্বরে থাকা লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের পয়েন্ট ১০। আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় নিজেদের অষ্টম ম্যাচে দিল্লি খেলবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে।

মৌসুমের প্রথম অর্ধেকে তাকিয়ে পন্টিংয়ের হতাশা, ‘বেশ কয়েকবারই বলেছি যে ম্যাচে (৪০ ওভারের মধ্যে) ৩৬-৩৭ ওভার বেশ ভালো কাটছে আমাদের, কিন্তু দুই-তিন ওভারে গিয়ে ম্যাচ হাতছাড়া করে ফেলছি আমরা। এ পর্যায়ের ম্যাচে এতটুকুই পার্থক্য গড়ে দেয়। আমরা মৌসুমের প্রথম অংশে একেবারে সব নিংড়ে দিয়ে বাড়তি অনুশীলন করতে চাই না। চেষ্টা করি আস্তে আস্তে (টুর্নামেন্ট যত শেষের দিকে গড়াবে) অনুশীলনে গতি বাড়াতে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের পারফরম্যান্স হচ্ছে একটা ম্যাচ জিতলে পরেরটা হারি, আরেকটা জিতি। এখন একটা মোমেন্টাম তৈরি করার চেষ্টা করতে হবে আমাদের।’

মৌসুমের পরের অংশে দলের পরিকল্পনা তো সে ক্ষেত্রে স্পষ্টই হয়ে যায়। টানা কয়েকটা জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট তালিকার ওপরের দিকে উঠতে থাকা। পন্টিংও আশাবাদী, ‘জানি আমরা পরিস্থিতি বদলে ফেলার খুব কাছেই আছি। নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে আমাদের। ইতিবাচক থাকতে হবে, উৎফুল্ল থাকতে হবে। সেটা করতে পারলে অবশ্যই সবকিছু বদলে যাবে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন