default-image

আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের খালেদ মাহমুদ বলেছেন, ‘সাকিব-তামিমদের বয়স ৩৪-৩৫ বছর। তাদের এখন বিরতি প্রয়োজন, তারা এটার যোগ্য। কিন্তু লিটন দাস তো বিশ্রামের যোগ্য না। লিটন যদি সাকিব-তামিম হতো, বলতাম সে–ও বিশ্রামের যোগ্য। মোস্তাফিজের অবশ্যই টেস্ট খেলা উচিত। এখন তার পিক টাইম। আমরা তো বলছি না সব টেস্ট খেলো। আমি মনে করি, বছরে ৬-৮টা টেস্ট ম্যাচ তার খেলা উচিত।’

মোস্তাফিজ অবশ্য বিসিবির টেস্টের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নেই। জৈব সুরক্ষাবলয়ের ক্লান্তিকে টেস্টে না থাকার কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি। এর আগে বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান ক্রিকেটারদের নিজের ইচ্ছেমতো বিশ্রাম নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। আজ অবশ্য খালেদ মাহমুদ জানিয়েছেন, নিজের পছন্দমতো খেলার স্বাধীনতা ছিল শুধু অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের।

default-image

খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘পাপন ভাই বলেছিলেন, খেলোয়াড়েরা কে কোন সংস্করণে খেলতে চায়, এ নিয়ে আলাপ করতে পারে। কথাটা সিনিয়র খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে বলেছেন, সবার ক্ষেত্রে না। এখন যদি জয় (মাহমুদুল হাসান) বলে আমি ওয়ানডে খেলব আর টেস্ট খেলব না, এটা কি ঠিক হলো নাকি? মোস্তাফিজের আসলে বয়স কত? কয় দিন ধরে খেলে? ও তো সাকিব না, তামিম না, মাশরাফি বা মুশফিক না, যারা এত বছর ধরে বাংলাদেশকে তিন ফরম্যাটে সার্ভিস দিয়েছে। দেশের জন্য খেলা জরুরি।’

default-image

টেস্ট পেসারদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলানোর জন্যই পেস আক্রমণকে আরও সমৃদ্ধ করতে চাইছেন খালেদ মাহমুদ। এ ব্যাপারে তিনি বলছিলেন, ‘আমি তো চাই মোস্তাফিজ টেস্ট খেলুক। কেন নয়? আমাদের তো এত বোলার নেই। ইবাদত, তাসকিন, শরীফুল, খালেদ, রাহী...এরপর বোলার কই? বাংলাদেশের সেরা ফাস্ট বোলারই তো মোস্তাফিজ। অভিজ্ঞতা, নৈপুণ্য, টেকনিক-ট্যাকটিকস...এসব দিক থেকে তো মোস্তাফিজই সেরা। সে থাকলে আমরা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলাতে পারতাম। এখন এত খেলা, তিন ফরম্যাটে খেলা কঠিন, সবাইকেই বিশ্রাম দিতে হয়।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন