বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরের বছর সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ড যাওয়ার কথা আছে ভারতের। করোনাভাইরাস আতঙ্কে বিরাট কোহলিরা ম্যানচেস্টার টেস্ট খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় শেষ পর্যন্ত তা ‘বাতিল’ হয়ে গেছে বলেই কলকাতার পত্রিকা টেলিগ্রাফকে জানিয়েছিলেন সৌরভ, ‘ম্যানচেস্টার টেস্ট বাতিল করা হয়েছে। ইসিবির অনেক ক্ষতি হয়েছে, এটা সহজ নয় তাদের জন্য। তবে এখন একটু ধাতস্থ হতে দিন, এরপর আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। তবে পরের বছর হলেও এটা একমাত্র টেস্ট হবে, এ সিরিজের অংশ হতে পারবে না আর।’

default-image

তবে পরবর্তীতে সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে সৌরভ বলেছেন, ‘আমরা চাই সিরিজটা শেষ হোক। এটা ২০০৭ সালের পর ইংল্যান্ডে আমাদের প্রথম সিরিজ জয় হবে। বিসিসিআই মনে করে, টেস্ট ক্রিকেটই চূড়ান্ত সংস্করণ, এবং আমরা কোনো কিছুর জন্যই এটাকে খাটো করব না।’

ইসিবিকে এরই মাঝে ‘বাড়তি’ ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দিয়েছে বিসিসিআই, সৌরভ নিশ্চিত করেছেন সেটাও, ‘আমরা বাড়তি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে রাজি আছি, সেটা কোনো ব্যাপার না। তবে টেস্ট খেলা হলে সেটা এ সিরিজেরই পঞ্চম টেস্ট হবে।’

আবার ইসিবির প্রধান নির্বাহী টম হ্যারিসন বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের লক্ষ্য যে এ টেস্টটার সূচি নতুন করে দেওয়া যায়। (সেটা না হলে) এরপর আমরা আইসিসির দ্বারস্থ হব, এ সিরিজের ফলটা কী হবে সেটা নিয়ে। শেষ টেস্টটা এমনই থাকবে, নাকি এটাকে অন্য কিছু বলা হবে—আমি জানি না এটা কী হবে। আপাতত বিসিসিআই আমাদের সে ম্যাচের সূচি নতুন করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে সেটা এ ম্যাচের অংশ, নাকি আলাদা করে একটা ম্যাচ—সেটা এখনো নিশ্চিত নয়।’

এদিকে ইংলিশ পত্রিকা দ্য টেলিগ্রাফ বলছে, ম্যানচেস্টার টেস্টের ফল নিয়ে আইসিসির কাছে যাওয়ার খুব কাছাকাছি চলে গেছে ইসিবি। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের কারণে কোনো দল যদি শেষ পর্যন্ত একাদশ গঠনে অসমর্থ হয়, তাহলে সেটা ‘পরিত্যক্ত’ ঘোষণা করা হবে।

default-image

তবে শেষ পর্যন্ত আইসিসির কাছে গেলে ইসিবির দাবি হবে, যেহেতু ভারতীয় দলের সবারই করোনা নেগেটিভ এসেছিল, তাই তাদের খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর ভিত্তিটা অবশ্যই করোনাভাইরাস নয়। সে ক্ষেত্রে ম্যানচেস্টার টেস্টে জয়ী ঘোষণা করা হোক ইংল্যান্ডকেই।

আর শেষ পর্যন্ত যদি করোনাভাইরাসের কারণে এ টেস্টটি যদি আইসিসি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে, তাহলে প্রায় ৪ কোটি পাউন্ড ক্ষতি হবে ইসিবির। বিমা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত কোনো ম্যাচে ক্ষতিপূরণের আওতায় পড়ে না ইসিবির।

সর্বশেষ ২০০৬ সালে কোনো টেস্টের ফল নিষ্পত্তি হয়েছিল আইসিসির টেবিলে। ওভালে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান টেস্টে আম্পায়াররা বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন তখনকার পাকিস্তান অধিনায়ক ইনজামাম-উল-হক। বার কয়েক ফল বদলে শেষ পর্যন্ত সে টেস্টে ইংল্যান্ডকে জয়ী ঘোষণা করেছিল আইসিসি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন