বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অন্য যেকোনো দেশ, এমনকি ভারতের মতো শুষ্ক কন্ডিশনেও সম্ভবত স্টার্ক–হ্যাজলউডকে সব ম্যাচেই খেলাত অস্ট্রেলিয়া টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু এই সিরিজে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের উইকেট স্পিনার ও স্লোয়ার–কাটারের ওপর নির্ভরশীল বোলারদের একটু বেশিই সাহায্য করছে। স্টার্ক–হ্যাজলউড সম্ভবত সে কারণেই দলের বাইরে।

টি–টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার চার স্পিনারের বল করার দৃশ্যটা বিরলই বলা চলে। এর আগে মাত্র একবার দেখা গেছে সেটা—২০১৪ সালে ইংল্যান্ড দলের অস্ট্রেলিয়া সফরে দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টিতে চার স্পিনারকে দিয়ে বল করিয়েছিল স্বাগতিকেরা।

সে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার চার স্পিনার ছিলেন—ক্যামেরন হোয়াইট, জেমস মুইরহেড, ব্র্যাড হজ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। হজকে দিয়ে বোলিং শুরু করালেও সে ম্যাচে পরের দুই বোলার ছিলেন পেসার। কিন্তু আজ বাংলাদেশের ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া যে প্রথম তিন বোলার ব্যবহার করেছে—সবাই স্পিনার!

default-image

মিরপুরে আজ অ্যাশটন টার্নারকে দিয়ে বোলিং শুরু করিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ওয়েড। পরের ওভারে বোলিংয়ে এসেছেন অ্যাশটন অ্যাগার এবং তার পরের ওভারে এসেছেন জাম্পা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়া এর আগে কখনোই বোলিংয়ে প্রথম তিন বোলার হিসেবে স্পিনারদের ব্যবহার করেনি—আজই প্রথম! সেটি কি বাংলাদেশকে দেখে?

সিরিজে প্রথম ম্যাচে তিনজন ভিন্ন স্পিনারকে দিয়ে বোলিং শুরু করিয়ে সাফল্য তুলে নেয় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া ব্যবহার করেছে স্টার্ক ও হ্যাজলউডকে। দ্বিতীয় ম্যাচেও প্রথম চার ওভারের মধ্যে তিনজন ভিন্ন স্পিনারকে দিয়ে বল করায় বাংলাদেশ। এ ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়া পেসারদের শুরু করানোর পরিকল্পনা থেকে সরে আসেনি।

default-image

তৃতীয় ম্যাচেও তিনজন আলাদা স্পিনারকে দিয়ে বোলিং শুরু করিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া এ ম্যাচে স্পিনারকে দিয়ে বোলিং শুরু করালেও প্রথম তিন বোলারের মধ্যে দুজন ছিলেন স্পিনার, একজন পেসার। এই তিন ম্যাচ হেরে সিরিজ খোয়ায় অস্ট্রেলিয়া।

চতুর্থ ম্যাচেও বাংলাদেশ বোলিংয়ের শুরুতে তিনজন স্পিনার ব্যবহার করে। ওদিকে অস্ট্রেলিয়াও দুই স্পিনার ও এক পেসার ব্যবহার করে। আজ শেষ ম্যাচে এসে পুরোপুরি বাংলাদেশের কৌশলে হেঁটেছে অস্ট্রেলিয়ান কোচিং স্টাফ।

তাতে অবশ্য খুব বেশি লাভ হয়নি। টার্নার, অ্যাগার ও জাম্পা মিলে প্রথম তিন ওভারে দিয়েছেন ৩৩ রান, উইকেট নিতে পারেননি একটিও।

এই দুর্দান্ত শুরু অবশ্য শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ১২২ রানে থেমেছে বাংলাদেশ। এতে অস্ট্রেলিয়ার স্পিনারদের অবদান? সোয়েপসন ছাড়া বাকি তিনজন উইকেট পেয়েছেন একটি করে। ওভারপ্রতি গড়ে ৬ করে রান দিয়েছেন জাম্পা, টার্নার ৮ রান করে, বাকি দুজন ৭ রান করে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন