বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লডারহিলে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ সময় আজ প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপদেই পড়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ৪.২ ওভারের মধ্যে ১৬ রানে নেই ৪ উইকেট। পঞ্চম উইকেটে ৭০ বলে ১১০ রানের জুটিতে গজানন্দ সিং ও সুশান্ত মোদানি।

৫ ছক্কা ও ৩ চারে গজানন্দের ব্যাট থেকে এসেছে ৪২ বলে ৬৫ রানের ইনিংস। ৩৯ বলে ৫০ রান করেন সুশান্ত। সাতে নামা মার্টি কেইনের ১৫ বলে অপরাজিত ৩৯ রানের ইনিংস শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৮৮ রানের লড়াকু সংগ্রহ এনে দেয় যুক্তরাষ্ট্রকে।

টি-টোয়েন্টিতে কোনো দলীয় ইনিংসে চতুর্থ উইকেট পতনের পর সর্বোচ্চ রান যোগ করার রেকর্ড হয়েছে এ ম্যাচে। যুক্তরাষ্ট্র ১৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর যোগ হয়েছে ১৭১ রান। এর আগের রেকর্ডটি ছিল ইংল্যান্ডের। ২০১৩ সালে সাউদাম্পটনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের ইনিংসে ৪ উইকেট হারানোর পর ১৬৭ রান যোগ করে ইংল্যান্ড।

সে যা–ই হোক, যুক্তরাষ্ট্রের সংগ্রহটা বেশ বড় হলেও আইরিশরা এর আগে আমেরিকান দলের বিপক্ষে সব কটি ম্যাচ জেতায় অনেকেই হয়তো আয়ারল্যান্ডের জয়ই দেখেছেন এ ম্যাচে। ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চারবার যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই জিতেছে আয়ারল্যান্ড।

তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার অ্যান্ডি বলবার্নিকে হারায় আয়ারল্যান্ড। ১০ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেটে ৭৫ রান তুলতে পেরেছে অতিথি দলটি। তিনে নামা লোরকান টাকার ৪৯ বলে ৫৭ রানে অপরাজিত থাকলে রানের গতি বাড়েনি আয়ারল্যান্ডের। জয়ের জন্য শেষ ৫ ওভারে ৭২ রানের চ্যালেঞ্জ নিতে পারেনি দলটি।

৬ উইকেটে ১৬২ রানেই থেমেছে আয়ারল্যান্ডের ইনিংস। ২টি করে উইকেট নেন যুক্তরাষ্ট্রের আলী খান, নিসর্গ প্যাটেল ও সৌরভ নেত্রাভালকর। ঘরের মাঠে এমন ঐতিহাসিক শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের স্পিনার নিসর্গ প্যাটেল বলেন, ‘আমরা দেড় বছর ধরেই ভালো খেলছি। আয়ারল্যান্ডের মতো বড় দলের বিপক্ষে জয় দেশের ক্রিকেট এবং বিশ্বের জন্যও একটি বার্তা।’

সেই বার্তা কী? সাবধান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উঠে আসছে যুক্তরাষ্ট্র!

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন