৯ অক্টোবর ১৯৮৭। ওই বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ম্যাচ। জিওফ মার্শের বিশ্বকাপ অভিষেক হলো ভারতের বিপক্ষে। বাকিটা ইতিহাস। বিশ্বকাপের অভিষেকেই সেঞ্চুরি, হলেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ।
প্রায় ২৮ বছর পর। গত শনিবার বিশ্বকাপ অভিষেক হলো মার্শ সাহেবের কনিষ্ঠ পুত্র মিচেল মার্শের। অভিষেকেই ৫ উইকেট। অ্যারন ফিঞ্চ ও রকম দুর্দান্ত সেঞ্চুরিটা না করলে হয়তো মিচেলই ম্যাচসেরা হতেন। হতে পারেননি, তবে বাবার নামটা ঠিকই উজ্জ্বল করেছেন। বড় ভাই শন মার্শের এবার বিশ্বকাপ দলে জায়গা হয়নি, বাবা-ভাইয়ের চেয়ে কম যান না তিনিও। দুই পুত্রে গর্বিত বাবা জিওফ মার্শ তো একবার মজা করে বলেওছিলেন, ‘আমার স্ত্রীকে তো আমি প্রায়ই বলি, আমাদের আরও সন্তান নেওয়ার দরকার ছিল। তাতে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটেরই লাভ হতো।’
বিশ্বকাপে বাবার নাম উজ্জ্বল করতে এসেছেন মিচেল মার্শের মতো আরও একজন—ভারতের স্টুয়ার্ট বিনি। ১৯৮৩ বিশ্বকাপে ভারতের শিরোপাজয়ী দলের সেরা বোলার ছিলেন তাঁর বাবা রজার বিনি, টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিও। স্টুয়ার্ট বিনির অবশ্য এখনো ভারতের হয়ে ও রকম কিছু করার সৌভাগ্য হয়নি। দলে তাঁর জায়গা নিয়েই প্রশ্ন আছে। কেউ কেউ তো বলেন, বাবা নির্বাচক বলেই বিশ্বকাপ দলে আছেন স্টুয়ার্ট। এটা ভুল প্রমাণের দায়িত্বও স্টুয়ার্ট বিনিরই।
মার্শ আর বিনি পরিবারের পূর্বসূরি-উত্তরসূরিরা তাও একই পক্ষে আছেন। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপ মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে সিমন্স পরিবারকে। চাচা ফিল সিমন্স ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে খেলেছেন, এখন আয়ারল্যান্ডের কোচ। সেই আইরিশদের বিপক্ষেই কাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে খেলেছেন তাঁর ভাইপো লেন্ডল সিমন্স। ম্যাচ শেষে হাসিটা অবশ্য চাচার মুখেই ছিল।
নেলসন ওভালে গতকালের ম্যাচটিতে প্রতিনিধিত্ব ছিল আরও একটা পরিবারের। খেলেছেন আয়ারল্যান্ডের বিখ্যাত ও’ব্রায়েন ভ্রাতৃদ্বয়। চার বছর আগে এ রকমই এক ম্যাচে ইংল্যান্ডকে একাই হারিয়ে দিয়েছিলেন কেভিন ও’ব্রায়েন। কাল কেভিন কিছু করতে না পারলেও বড় ভাই নিয়াল কিন্তু অপরাজিত ৭৯ রানের ইনিংস খেলে বড় অবদান রেখেছেন আইরিশ জয়ে। এএফপি।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন