‘দ্য এনালিস্ট’ ইউটিউব চ্যানেলে নিজের কোচ না হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করেছেন গাভাস্কার, ‘আমি ক্রিকেট কখনোই মনোযোগ দিয়ে দেখতাম না। আমি যদি আউট হয়ে যেতাম, তা–ও খুবই অল্প সময়ের জন্য খেলা দেখতাম। এরপর ড্রেসিংরুমের ভেতরে চলে যেতাম। কিছু পড়তাম বা চিঠিপত্রের জবাব দিতাম। এরপর বেরিয়ে এসে হয়তো আবার একটু দেখতাম।’ ক্রিকেট দেখার অভ্যাসটা গড়তে পারেননি বলেই তাঁর কোচ হওয়া হলো না বলে মনে করেন গাভাস্কার।
ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যানের কথা, ‘আমি প্রতিটা বল দেখার মানুষ কখনোই ছিলাম না। যেমনটা ছিল বিশ্বনাথ। বিশ্বনাথ অথবা আমার চাচা মাধব মন্ত্রী প্রতিটা বল দেখত। আপনি কোচ বা নির্বাচক হতে চাইলে প্রতিটি বল দেখার অভ্যাস থাকতে হবে। এ কারণেই আমি কোচ হওয়ার কথা কখনোই ভাবিনি।’
কোচ হওয়ার কথা ভাবেননি বলে গাভাস্কার তাঁর ক্রিকেট জ্ঞান বিতরণ করবেন না, এমনটা তো আর হতে পারে না! গাভাস্কারের কাছে পরামর্শ নিতে যেতেন শচীন টেন্ডুলকার, সৌরভ গাঙ্গুলী, রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণরাও।
এই সময়ের ক্রিকেটাররা খুব একটা তাঁর কাছে যান না। গাভাস্কার এ বিষয়ে বলেছেন, ‘এমনটা বলা হয় যে আমার কাছে অনেকে আসে। আসলে এই সময়ের খেলোয়াড়েরা আসে না। আমার কাছে আসত শচীন, রাহুল দ্রাবিড়, গাঙ্গুলী, লক্ষ্মণ। ওদের পরামর্শ দিয়ে আমিও খুব খুশি হতাম।’ এরপর গাভাস্কার যোগ করেছেন, ‘এটা ঠিক যে মাঠের বাইরে আমি ওদের পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করেছি। কিন্তু (কোচ হয়ে) পুরো সময়ের জন্য? এটা আমি করতে পারতাম না।’