default-image

মিরপুরে বরিশালের বিপক্ষে ২২৭, ফতুল্লায় ঢাকা মহানগরের বিপক্ষে ১৬৩ আর আজ বিকেএসপিতে চট্টগ্রামের বিপক্ষে ২০১—ভেন্যু-প্রতিপক্ষ বদলালেও জাতীয় লিগে রনি তালুকদারের রানক্ষুধা কমছে না, বরং তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে! সেঞ্চুরি রীতিমতো ‘ডালভাত’ হয়ে গেছে ঢাকা বিভাগের এ ওপেনারের কাছে! রনির সঙ্গে নিয়মিত জ্বলে উঠছেন তাঁর উদ্বোধনী সঙ্গী আবদুল মজিদও। আগের ম্যাচে অপরাজিত ২৫৩ করা মজিদ আজ করেছেন ১১৩ রান। দুজনের তাণ্ডবে চট্টগ্রামের বিপক্ষে রানের পাহাড় গড়েছে ঢাকা।
আগের দিনের বিনা উইকেটে ১১২ রানের সঙ্গে আজ ৪ উইকেটে ৪০৬ রান যোগ করেছে ঢাকা। গত ম্যাচের মতো আবারও ৩০০ রানের জুটি গড়েছেন রনি-মজিদ। দুজনের উদ্বোধনী জুটিতে এসেছে ৩০৪ রান। জাতীয় লিগে উদ্বোধনী জুটিতে পর পর দুই ম্যাচে তো বটেই, একাধিক ৩০০ রানের জুটির রেকর্ড এই প্রথম। নাঈম ইসলাম জুনিয়রের বলে ফেরার আগে মজিদের সংগ্রহ ১১৩ রান।
গত ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরিটা করতে পারেননি রনি। এবার আর ভুল করেননি। ইউনুসের বলে ফেরার আগে ঢাকা বিভাগের ওপেনারের সংগ্রহ ২০১। জাতীয় লিগে এক মৌসুমে একাধিক ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন রনি।
অন্যদিকে মিরপুরে খুলনার বিপক্ষে অবশিষ্ট ৪ উইকেটে ৪৯ রান তুলে রংপুর অলআউট ৩১০ রানে। জবাবে প্রথম ইনিংসে খুলনা অলআউট ২১৩ রানে। সর্বোচ্চ ৯৪ রান এসেছে ইমরুল কায়েসের ব্যাট থেকে। রংপুরের মাহমুদুল হাসান নিয়েছেন সর্বোচ্চ ৫ উইকেট, এ ছাড়া সঞ্জিব সাহার সংগ্রহে ৪ উইকেট।
বিকেএসপি-২ মাঠে সিলেটের বিপক্ষে আগের দিনের ২ উইকেটে ৩১৬ রানের সঙ্গে ১৬৬ রান যোগ করে রাজশাহী অলআউট ৪৮২ রানে। সিলেটের পক্ষে এনামুল নিয়েছেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দিন শেষে সিলেটের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯৬ রান।
ফতুল্লায় বরিশালের বিপক্ষে আগের দিনের অপরাজিত সাদমান ইসলামের ১৪০ ও আসিফ আহমেদের ৮৬ রানের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান তুলে অলআউট ঢাকা মহানগর। বরিশালের আল আমিন-২ পেয়েছেন সর্বোচ্চ ৫ উইকেট। প্রথম ইনিংসে বরিশালের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১৪১ রান। শাহরীয়ার নাফিস অপরাজিত ৭৯ ও সাইফ হাসান অপরাজিত ৫৫ রানে।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন